মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৩, ২০২৬
২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> বনানী বিদ্যানিকেতনে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা

>> নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় ব্যবস্থা নেবে সরকার

>> রাস্তা বন্ধ থাকায় ঘর ভেঙে মরদেহ নিয়ে গেলেন এলাকাবাসী

>> নিরাপত্তার কারণে কারাগারে রেখেই জিয়াউল আহসানের বিচার

>> নিউইয়র্কের জেএফকে বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে ঘিরে বিক্ষোভ, হেনস্তার অভিযোগ

>> এনসিটির ইজারা চুক্তি বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রাম বন্দরে গণঅনশন

>> নারায়ণগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগ, তিতাস কর্মকর্তা আজাদ ও ঠিকাদারদের ঘিরে প্রশ্ন

>> রবীন্দ্রনাথ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিতর্কে জামায়াতকে ঘিরে রাশেদ খাঁনের অভিযোগ

>> পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, ভোট শুরু ২১ জানুয়ারি

>> জি এম কাদেরের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তারের দাবি

আপনি পড়ছেন : চট্টগ্রাম

চুয়েটে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলন


Rabeya ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৪:৩৩



চুয়েটে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলন


চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন। একই দাবিতে শিক্ষকেরাও মানববন্ধন করেছেন।

সকাল ৮টার দিকে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা দিয়ে অবস্থান নেন। এরপর সকাল ১০টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ১২টার দিকে শহীদ মিনার এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করেন শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ক্লাস, পরীক্ষা, ল্যাব ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে নিরাপত্তা ও চিকিৎসাসেবা কর্মসূচির আওতামুক্ত রাখা হয়েছে বলে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন।

মানববন্ধনে শিক্ষকরা বলেন, অধ্যাপক সায়েমকে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ৫৬ দিনের মধ্যে সরিয়ে দেওয়ার কারণ তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। তাঁকে কেন অপসারণ করা হয়েছে, তার যৌক্তিক ব্যাখ্যা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক বশির জিসান বলেন, উপাচার্যকে পুনর্বহাল এবং নতুন নিয়োগসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার করা উচিত। একই সঙ্গে তিনি উপাচার্য অপসারণের কারণ ব্যাখ্যা করার দাবি জানান।

স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক রাশিদুল হাসানও উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র এক মাস ২২ দিনের মধ্যে একজন উপাচার্যকে কেন সরানো হলো, তা পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

চুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মো. আহসান উল্লাহ বলেন, সদ্য সাবেক উপাচার্য দায়িত্ব ভালোভাবেই পালন করছিলেন। তাঁকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার প্রয়োজন ছিল বলে মনে করেন তিনি। শিক্ষক সমিতিও তাঁর পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে।

অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, কোনো দৃশ্যমান ব্যাখ্যা ছাড়াই উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত তাঁরা মেনে নিতে পারছেন না। তাঁদের দাবি, অধ্যাপক সায়েমকে উপাচার্যের পদে পুনর্বহাল করতে হবে।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস, পরীক্ষা, ল্যাব ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রেখে শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন তাঁরা।

চলতি বছরের ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। সোমবার তাঁকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।