বুধবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

>> চট্টগ্রামে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে কিশোরকে হত্যা, আটক ৫

>> মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতের বিল ৫০৬ কোটি টাকা!

>> একের পর এক হামলা-ভাঙচুর ও দখলের ঘটনায় উদ্বিগ্ন সরকার

>> পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত

>> গলাচিপায় বিএনপির মিছিলে যুবলীগ-ছাত্রলীগের নামে স্লোগান, তদন্ত কমিটি

>> মিরপুর বিআরটিএতে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ, হয়রানি ও চাঁদাবাজির দাবি

>> তানজিন তিশার জামিনের মেয়াদ বাড়ল, আদালত থেকে বের হয়ে যা বললেন

>> বাকলিয়ায় সংঘর্ষের নেপথ্যে মাদক ও আধিপত্যের দ্বন্দ্ব

>> ট্র্যাকিংয়ে গিয়ে পথ হারাচ্ছেন পর্যটকেরা, কাপ্তাইয়ের সীতাপাহাড়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

আপনি পড়ছেন : চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে কিশোরকে হত্যা, আটক ৫


Sifat Islam Sohag ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ১১:৪৬



চট্টগ্রামে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে কিশোরকে হত্যা, আটক ৫


চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানার ওয়্যারলেস কলোনি এলাকায় বাসা থেকে ডেকে নিয়ে মোহাম্মদ হৃদয় (১৬) নামের এক কিশোরকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, একটি কিশোর গ্যাংয়ের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একই এলাকার পাঁচ কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত হৃদয় স্থানীয় ওয়্যারলেস কলোনি বাজারে ভ্যানে করে সবজি বিক্রি করত। পুলিশ জানিয়েছে, আটক পাঁচজনের সঙ্গে হৃদয়েরও একটি কিশোর গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততা ছিল। ওই গ্যাংটি নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বহিষ্কৃত নেতা ওয়াকিল হোসেন বগার নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে পুলিশের দাবি।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কয়েক দিন আগে হৃদয়ের সঙ্গে গ্যাংয়ের কয়েকজনের বিরোধ হয়। এর জের ধরে মঙ্গলবার রাতে তাকে বাসা থেকে রাস্তায় ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে প্রথমে তার কান কেটে দেওয়া হয়। পরে তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিম বলেন, বাসা থেকে ডেকে নিয়ে কিশোরটিকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি কিশোর গ্যাংয়ের পাঁচ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। গ্যাংটির নিয়ন্ত্রণে থাকা ওয়াকিলকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম নগরে বর্তমানে প্রায় ২০০টি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। প্রতিটি গ্যাংয়ে সদস্যসংখ্যা ৫ থেকে ১৫ জন। সব মিলিয়ে এসব গ্যাংয়ে অন্তত ১ হাজার ৪০০ সদস্য রয়েছে বলে পুলিশের দাবি। এসব গ্যাংকে পৃষ্ঠপোষকতা বা প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে ৬৪ জন ‘বড় ভাইয়ের’ নামও পুলিশের তালিকায় রয়েছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, গত ছয় বছরে চট্টগ্রাম নগরে ৫৪৮টি অপরাধের ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।

২০২৪ সালের মার্চে চট্টগ্রাম নগর পুলিশ পরিচালিত এক জরিপেও স্কুলশিক্ষার্থীদের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার তথ্য উঠে আসে। জরিপে স্কুলে অনুপস্থিত থাকা ৫৪ শতাংশ শিক্ষার্থীর একটি বড় অংশ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ার তথ্য পাওয়া যায়। এসব অপরাধের মধ্যে পর্নোগ্রাফি, সাইবার অপরাধ, ছিনতাই, চুরি, মাদক গ্রহণ ও বিক্রি এবং অনলাইন জুয়ার মতো কর্মকাণ্ড রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।