মঙ্গলবার, নভেম্বর ৩, ২০২৬
১৯ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে ফের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধ

>> যৌন হয়রানির প্রতিবাদে ১০ শিক্ষার্থীকে ক্লাসে বাধা, উদয়ন স্কুলে বিক্ষোভ

>> সাভার-আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ ঘিরে দুই মামলা, আটক ১৩

>> আশুলিয়ায় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি, আহত প্রায় ৫০ পুলিশ সদস্য

>> সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতে বিরোধীদের দোষারোপ করা হচ্ছে: জামায়াত আমির

>> গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ ঘিরে ১১ প্লাটুন বিজিবি ও ২৫ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন

>> প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর চালু হলো মিরপুরের দুই মেট্রো স্টেশন

>> শ্রমিক বিক্ষোভে চতুর্থ দিনেও উত্তপ্ত সাভার-আশুলিয়া, টিয়ারশেল নিক্ষেপ

>> শ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগ, আ. লীগ ও ছাত্রলীগের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তার: ডিএমপি

>> গার্মেন্টস খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপনি পড়ছেন : ঢাকা

বারিধারায় গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিক নিহত, কিশোরকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ


Rabeya ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৩:৫৪



বারিধারায় গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিক নিহত, কিশোরকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ


রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনে প্রাইভেট কারের চাপায় নির্মাণশ্রমিক নিহত হওয়ার ঘটনায় আইনের সংস্পর্শে আসা ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল–৮-এর বিচারক মো. আব্দুল মোক্তাদির শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। কিশোরের আইনজীবী আলমগীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আইনজীবী জানান, গুলশান থানায় করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কিশোরকে গাজীপুরের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁর পক্ষে পরে জামিনের আবেদন করা হবে।

ঘটনাটি ঘটে গত মঙ্গলবার বিকেলে বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনের ১ নম্বর সড়কে। দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার ফুটপাতে উঠে গেলে সেখানে বসে থাকা নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান (২৪) গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। তাঁর বাড়ি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় গ্রামে।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই মোক্তাদীর ইসলাম গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলায় গাড়িচালক হিসেবে আকাশ মারক (৪৪) নামের এক ব্যক্তিকে আসামি করা হলেও কিশোরের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

দুর্ঘটনার পর গাড়ির চালকের আসনে থাকা কিশোরকে উপস্থিত লোকজন আটক করে পুলিশের কাছে দেন। পরে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়। এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে পুলিশ ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে কিশোরের সম্পৃক্ততা শনাক্ত করে। পরে তাকে আইনের সংস্পর্শে নেওয়া হয়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ওই কিশোর ঢাকার গুলশানের একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী। তার বয়স ১৭ বছর। তার বাবা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একজন ক্যাপ্টেন। দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেট কারটি তাঁর মায়ের নামে নিবন্ধিত।