শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
১৬ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> নদী থেকে আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

>> ব্যালন ডি’অর ভোটে মেসির সেরা তিনে আলজেরিয়ান তরুণ ইব্রাহিম মাজা

>> শ্রমিক অসন্তোষে আশুলিয়ার ১১ পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা

>> ৯ গুলিবিদ্ধ হওয়ার দাবি করে মামলা, হাসিনাসহ ৮৪ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ

>> ৬৩০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরিতে উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের সন্দেহ

>> রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর অনুমোদন

>> মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মাহবুব উল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড

>> ড. ইউনূস তিন-চার প্রজন্ম নষ্ট করে দিয়েছেন: ফজলুর রহমান

>> পুলিশের গাড়ির সামনেই যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল

>> নির্বাচনে হারলে ফলাফল মেনে নেবেন তো ট্রাম্প?

আপনি পড়ছেন : ঢাকা

‘আমার মানিক বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে জানি না’


২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৫:৫৭



‘আমার মানিক বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে জানি না’


ভোলার কাছ থেকে গ্যাস সিলিন্ডারভর্তি কাভার্ড ভ্যান নিয়ে আশুলিয়ায় এসেছিলেন ১৮ বছর বয়সী ইমতিয়াজ কাজী। তিনি ওই গাড়ির চালকের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। রোববার আশুলিয়ার একটি কারখানা চত্বরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর থেকে ইমতিয়াজের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।

ইমতিয়াজের বাবা হিসেবে পরিচয় দেওয়া সাইফুল ইসলাম জানান, তাঁর ছেলে ওই কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে প্রিটি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেড কারখানায় এসেছিলেন। বিস্ফোরণের পর থেকে তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

সোমবার বিকেলে কারখানার ১ নম্বর ফটকের সামনে ছেলের সন্ধানে আহাজারি করছিলেন সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমার মানিক বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে জানি না, খোঁজ পাচ্ছি না। সবাইকে খুঁজে পাচ্ছে, আমার ছেলেকে খুঁজে পাচ্ছি না। আমার ছেলেকে খুঁজে দেন।’

সাইফুলের ভাষ্য, কাভার্ড ভ্যানটির চালক ছিলেন তাঁর শ্যালিকার ছেলে নুর ইসলাম। বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে ইমতিয়াজের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। ঢাকা মেডিকেলসহ বিভিন্ন হাসপাতালে খোঁজ করেও ছেলেকে পাননি বলে জানান তিনি।

সাইফুল আরও বলেন, কারখানার নিরাপত্তাকর্মীদের কাছে ছেলের বিষয়ে জানতে চাইলেও তাঁরা কোনো নিশ্চিত তথ্য দিতে পারেননি।

রোববার রাতে আশুলিয়ার প্রিটি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেড কারখানা চত্বরে গ্যাসভর্তি একটি কাভার্ড ভ্যানে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ৭ জন নিহত এবং কমপক্ষে ২৫ জন আহত হন।