রবিবার, অক্টোবর ১১, ২০২৬
২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> মুক্তিযোদ্ধাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ, বিএনপি নেতার বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন

>> রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতি মোছার চেষ্টা: আয়াসসহ ৪ জনের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন

>> আলমডাঙ্গায় নিষিদ্ধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ, জরিমানা ১৩ হাজার টাকা

>> জুয়েল হত্যাচেষ্টা মামলা: সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদকে ফের গ্রেপ্তার দেখাল আদালত

>> নভেম্বরের শেষ দিকে রূপপুরে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর আশা

>> মোহাম্মদপুরে অটোরিকশাচালকদের সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজটে ভোগান্তি

>> সরকারি চাকরিতে থেকেও এনসিপির কমিটিতে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা!

>> দিল্লিতে বিরোধীদের বিক্ষোভ, আটক মমতা-কেজরিওয়ালসহ একাধিক নেতা

>> সিরাজগঞ্জে মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মী আটক

>> আইফোনের সূত্র ধরে তাজমিন হত্যা মামলার তদন্ত, গ্রেপ্তার সিএনজিচালক

আপনি পড়ছেন : ঢাকা

‘আমার মানিক বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে জানি না’


২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৫:৫৭



‘আমার মানিক বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে জানি না’


ভোলার কাছ থেকে গ্যাস সিলিন্ডারভর্তি কাভার্ড ভ্যান নিয়ে আশুলিয়ায় এসেছিলেন ১৮ বছর বয়সী ইমতিয়াজ কাজী। তিনি ওই গাড়ির চালকের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। রোববার আশুলিয়ার একটি কারখানা চত্বরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর থেকে ইমতিয়াজের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।

ইমতিয়াজের বাবা হিসেবে পরিচয় দেওয়া সাইফুল ইসলাম জানান, তাঁর ছেলে ওই কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে প্রিটি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেড কারখানায় এসেছিলেন। বিস্ফোরণের পর থেকে তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

সোমবার বিকেলে কারখানার ১ নম্বর ফটকের সামনে ছেলের সন্ধানে আহাজারি করছিলেন সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমার মানিক বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে জানি না, খোঁজ পাচ্ছি না। সবাইকে খুঁজে পাচ্ছে, আমার ছেলেকে খুঁজে পাচ্ছি না। আমার ছেলেকে খুঁজে দেন।’

সাইফুলের ভাষ্য, কাভার্ড ভ্যানটির চালক ছিলেন তাঁর শ্যালিকার ছেলে নুর ইসলাম। বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে ইমতিয়াজের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। ঢাকা মেডিকেলসহ বিভিন্ন হাসপাতালে খোঁজ করেও ছেলেকে পাননি বলে জানান তিনি।

সাইফুল আরও বলেন, কারখানার নিরাপত্তাকর্মীদের কাছে ছেলের বিষয়ে জানতে চাইলেও তাঁরা কোনো নিশ্চিত তথ্য দিতে পারেননি।

রোববার রাতে আশুলিয়ার প্রিটি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেড কারখানা চত্বরে গ্যাসভর্তি একটি কাভার্ড ভ্যানে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ৭ জন নিহত এবং কমপক্ষে ২৫ জন আহত হন।