ভোলার কাছ থেকে গ্যাস সিলিন্ডারভর্তি কাভার্ড ভ্যান নিয়ে আশুলিয়ায় এসেছিলেন ১৮ বছর বয়সী ইমতিয়াজ কাজী। তিনি ওই গাড়ির চালকের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। রোববার আশুলিয়ার একটি কারখানা চত্বরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর থেকে ইমতিয়াজের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।
ইমতিয়াজের বাবা হিসেবে পরিচয় দেওয়া সাইফুল ইসলাম জানান, তাঁর ছেলে ওই কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে প্রিটি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেড কারখানায় এসেছিলেন। বিস্ফোরণের পর থেকে তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
সোমবার বিকেলে কারখানার ১ নম্বর ফটকের সামনে ছেলের সন্ধানে আহাজারি করছিলেন সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমার মানিক বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে জানি না, খোঁজ পাচ্ছি না। সবাইকে খুঁজে পাচ্ছে, আমার ছেলেকে খুঁজে পাচ্ছি না। আমার ছেলেকে খুঁজে দেন।’
সাইফুলের ভাষ্য, কাভার্ড ভ্যানটির চালক ছিলেন তাঁর শ্যালিকার ছেলে নুর ইসলাম। বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে ইমতিয়াজের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। ঢাকা মেডিকেলসহ বিভিন্ন হাসপাতালে খোঁজ করেও ছেলেকে পাননি বলে জানান তিনি।
সাইফুল আরও বলেন, কারখানার নিরাপত্তাকর্মীদের কাছে ছেলের বিষয়ে জানতে চাইলেও তাঁরা কোনো নিশ্চিত তথ্য দিতে পারেননি।
রোববার রাতে আশুলিয়ার প্রিটি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেড কারখানা চত্বরে গ্যাসভর্তি একটি কাভার্ড ভ্যানে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ৭ জন নিহত এবং কমপক্ষে ২৫ জন আহত হন।