সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> আগামীকাল রাত থেকে শিল্পে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিকের আশ্বাস

>> দোকানের মালিকানা নিয়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, আহত ৯

>> মানিকগঞ্জে সেলফি পরিবহনের রুট পারমিট বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

>> সহপাঠীর বাবার বিরুদ্ধে শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ, ঘরের মেঝেতে মরদেহ পুঁতে রাখার দাবি

>> কলকাতার চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত বাংলাদেশের দুই সিনেমা

>> হরমুজ নিয়ে ইরান-উপসাগরীয় দেশগুলোর বৈঠক স্থগিত, কূটনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা

>> নতুন লিফটের ব্যবস্থা করার দাবি ডাকসুর, ডিন বললেন ‘মিথ্যাচার’

>> বিজিবিতে সিপাহী পদে চাকরি, আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর

>> নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নিতে আপত্তি কেন, ব্যাখ্যা দিল বিসিসিআই

>> সড়ক দুর্ঘটনার শিকার পরিবারগুলোর জন্য বিআরটিএর ৯৮ লাখ টাকার সহায়তা

আপনি পড়ছেন : ঢাকা

দোকানের মালিকানা নিয়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, আহত ৯


১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৫:১০



দোকানের মালিকানা নিয়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, আহত ৯


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দোকানের মালিকানা নিয়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৯ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চত্বর এলাকায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল চালু হওয়ার পর ওই এলাকার বেশ কয়েকটি দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরে ২০২৪ সালে কাছাকাছি এলাকায় কাজী নজরুল ইসলাম হল চালু হলে দোকানগুলোর মালিকানা নিয়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। কাজী নজরুল ইসলাম হলের শিক্ষার্থীরা চারটি দোকানের মালিকানা দাবি করে আসছিলেন।

এ নিয়ে কয়েক দিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, গত রাতে নজরুল হলের শিক্ষার্থীরা তাঁদের হলের সামনে থাকা চারটি দোকানে তালা দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। বিষয়টি জানতে পেরে সোমবার দুপুরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী রবীন্দ্র চত্বরে অবস্থান নেন।

পরে নজরুল হলের একদল শিক্ষার্থী সেখানে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে ধাক্কাধাক্কি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে দুই হলের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক জাকির হোসেন বলেন, আহত শিক্ষার্থীদের অ্যাম্বুলেন্সে করে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে দুই হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রের উপপ্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা রিজওয়ানুর রহমান জানান, বিকেল পৌনে পাঁচটা পর্যন্ত ৯ জন শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিতে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সাভারের একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।