সোমবার, নভেম্বর ২, ২০২৬
১৮ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ড. ইউনূসসহ উপদেষ্টাদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বাংলাদেশ সমতা পার্টির মানববন্ধন

>> তিন ঘণ্টা পর ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে যান চলাচল স্বাভাবিক

>> মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে চার মামলা, আসামি সাড়ে ১০ হাজার; গ্রেপ্তার ২২

>> ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধ

>> গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, পুলিশের গাড়িতে আগুন; বিজিবি সদস্য আহত

>> মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ, সতর্ক অবস্থানে পুলিশ

>> শ্রমিক অসন্তোষে এক দিনে ৫২৯ পোশাক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ

>> বান্দরবানে সাকিব চৌধুরীকে মারধরের অভিযোগ, চোখের নিচে চার সেলাই; বিচারের দাবি পরিবারের

>> রাজশাহী বিআরটিএতে দালাল সিন্ডিকেটের দাপট, ঘুষ ছাড়া মিলছে না সেবা!

>> নদী থেকে আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

আপনি পড়ছেন : ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়কের দুর্ভোগ ‘সইতে’ না পেরে মাইকিং, তবু বেহাল


Rabeya ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১:৫৭



ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়কের দুর্ভোগ ‘সইতে’ না পেরে মাইকিং, তবু বেহাল


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের একটি সড়কের বেহাল দশা নিয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দার মাইকিংয়ের ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। মাইকিংয়ে তিনি সড়কটির দুরবস্থা তুলে ধরে সংস্কারের দাবি জানান।

সৈয়দ মৌলুদ নামের ওই ব্যক্তি গত ৯ আগস্ট নাসিরনগরের গোকর্ণ ইউনিয়নের নুরপুর থেকে হরিপুর পর্যন্ত সড়কের দুরবস্থা তুলে ধরে মাইকিং করেন। তিনি বলেন, বৃষ্টির সময় সড়কটি কাদায় পরিণত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও স্কুলশিক্ষার্থীদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

যে সড়কটি নিয়ে মাইকিং করা হয়েছে, সেটি নাসিরনগর উপজেলা সদরের কলেজ মোড় থেকে পূর্বভাগ ইউনিয়নের ভুবন গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত। প্রায় ৯ কিলোমিটার অংশের সংস্কারকাজ তিন বছরেও শেষ হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে কাজ বন্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

নাসিরনগর সদর, গোকর্ণ, পূর্বভাগ ও হরিপুর ইউনিয়নের প্রায় ৮০ হাজার মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। পাশের হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মানুষও সড়কটির ওপর নির্ভরশীল।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন অংশে কোথাও কার্পেটিং, কোথাও ম্যাকাডাম এবং কোথাও ঢালাই করা হয়েছে। তবে বৃষ্টির কারণে বেশ কিছু অংশে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত ও কাদা। চৈয়ারকুড়ি বাজারের পরবর্তী প্রায় ৬ কিলোমিটার অংশও ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মিজান মিয়া বলেন, ‘সড়কের অবস্থা খুব খারাপ। আমরা কষ্টে আছি।’

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ১৮ কোটি টাকা চুক্তিমূল্যে সড়কটির সংস্কারকাজ পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাসান এন্টারপ্রাইজ। ২০২৫ সালের মার্চে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা শেষ হয়নি। পরে ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়। সেই সময়ও কাজ শেষ না হওয়ায় ২০২৭ সালের মে পর্যন্ত আরও সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

এখন পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি প্রায় ৬৫ শতাংশ এবং ঠিকাদারকে ১৮ কোটি টাকার মধ্যে ৯ কোটি ১৮ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে বলে এলজিইডি সূত্র জানিয়েছে।

ঠিকাদার খায়রুল হাসান কাজ বিলম্বের জন্য বর্ষাকাল ও গাছ কাটায় দেরিকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর দাবি, সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে সড়কের কাজ পুরোদমে শুরু করা হবে।

তবে উপজেলা প্রকৌশলী আবদুল মমিন সড়কের বর্তমান অবস্থার জন্য ঠিকাদারের গাফিলতিকে দায়ী করেছেন। তিনি জানান, ঠিকাদার আবার সময় বাড়ানোর আবেদন করেছেন এবং দ্রুত কাজ শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।