বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> গুলশান থানার ওসি প্রত্যাহার

>> ট্রাম্প-সি বৈঠকের আগে বেইজিং যাচ্ছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

>> ১৪ ঘণ্টার বদলে ২৬ ঘণ্টা পর গ্যাস, চরম ভোগান্তিতে ২৩ হাজার গ্রাহক

>> দুর্ঘটনার খবর সংগ্রহে গিয়ে সংবাদমাধ্যমের হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৩

>> ঈশা আর ফিরবে না, মেয়ের ছবি বুকে নিয়ে কাঁদছেন মা

>> তিস্তার ভাঙনে উত্তরের পাঁচ জেলা বিপর্যস্ত, সাত দিনে বিলীন ৩৮৬ ঘরবাড়ি

>> নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থী নিহত শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সহকারীর মা

>> সিটিজেনস ব্যাংকে চালু হলো ইসলামিক ব্যাংকিং সেবা

>> ভারতের বিপক্ষে টানা হারের রেকর্ড থেকে বাংলাদেশকে সরিয়ে দিল আফগানিস্তান

>> ‘১১৫০ টাকার কাজে ৭০ হাজার কেন’—ভিডিও ছড়ানোর পর তহশিলদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

আপনি পড়ছেন : ব্রাহ্মণবাড়িয়া

১৪ ঘণ্টার বদলে ২৬ ঘণ্টা পর গ্যাস, চরম ভোগান্তিতে ২৩ হাজার গ্রাহক


Rabeya ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১:৩৭



১৪ ঘণ্টার বদলে ২৬ ঘণ্টা পর গ্যাস, চরম ভোগান্তিতে ২৩ হাজার গ্রাহক


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাইপলাইনের জরুরি মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ১৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হলেও বাস্তবে তা বন্ধ ছিল ২৬ ঘণ্টারও বেশি। এতে শহর, সদর ও সরাইল উপজেলার ২৩ হাজারের বেশি আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্রাহক চরম দুর্ভোগে পড়েন।

বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছিল, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী রাত ১০টার পর গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। বুধবার সকাল ১০টার পর গ্যাস সরবরাহ চালু হয়।

সরাইলের পাঠানপাড়া এলাকার কলেজশিক্ষক ছাকিয়া বেগম বলেন, রাত ১০টার মধ্যে গ্যাস ফিরে আসবে ধরে নিয়ে তিনি রান্নার প্রস্তুতি রেখেছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে গ্যাস না আসায় রান্না করতে পারেননি। পরে বাইরে নাশতা করার চেষ্টা করেও ভিড়ের কারণে খাবার পাননি। শেষ পর্যন্ত চিড়া খেয়েই তাঁকে বের হতে হয়েছে।

গ্যাসের সংকটে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন আবাসিক গ্রাহকের পাশাপাশি হোটেল-রেস্তোরাঁ ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মানুষ। একই সঙ্গে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাস না থাকায় বিপাকে পড়েন অটোরিকশাচালকেরাও।

অটোরিকশাচালক সাব্বির মিয়া জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে গ্যাস নেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর রাত ১টার দিকে তিনি বাড়ি ফিরে যান। বুধবার সকালে গ্যাস সরবরাহ শুরু হলেও ততক্ষণে ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়। তাঁর ভাষ্য, গ্যাসের সংকটে দুই দিনের আয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বাখরাবাদ গ্যাসের ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক ও আঞ্চলিক প্রধান মো. শফিকুল হক জানান, ঘাটুরা এলাকায় পাইপলাইনের জরুরি মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য রাত ১০টা পর্যন্ত সরবরাহ বন্ধ রাখার পরিকল্পনা ছিল। তবে কাজের স্থানে পানি জমে থাকায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, ওই এলাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে, তা আগে থেকে জানা ছিল না। বর্তমানে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে এবং সামনে আর কোনো সমস্যা হবে না বলে আশা করা হচ্ছে।