মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬
১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> বেতন বাড়ার সুযোগে নিত্যপণ্যের দাম না বাড়ানোর আহ্বান এফবিসিসিআইয়ের

>> ‘পাপ কামিয়েছি’—ভাইরাল বক্তব্যটি নিজের নয়, জানালেন চিত্রনায়িকা পপি

>> ‘পুলিশ এখনো আসামিদের ধরতে পারেনি, থানায় গেলে শুধু বলে তদন্ত চলছে’

>> বরযাত্রীর গাড়ি থেকে তুলে নেওয়া নববধূর ভিডিও ভাইরাল, বললেন—‘আইছি তো আইছিই, এনেই থাকবাম’

>> আর্জেন্টিনার ১০ নম্বর জার্সি এবার কার গায়ে?

>> একাদশে ভর্তি: মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষা কোটায় আবেদনে যোগ্যতার বিষয়ে সতর্কতা

>> প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর ও মার্কিন উড়োজাহাজ কেনা নিয়ে যা বললেন হুমায়ুন কবির

>> অটোরিকশার গ্যারেজে তৈরি হতো আগ্নেয়াস্ত্র, গ্রেপ্তার রাজমিস্ত্রি ও চালক

>> হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ জনের মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৯৭৯

>> বছরে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত টার্নওভারে থাকছে না কোনো কর

আপনি পড়ছেন : শিক্ষা

একাদশে ভর্তি: মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষা কোটায় আবেদনে যোগ্যতার বিষয়ে সতর্কতা


Rabeya ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৪:৫২



একাদশে ভর্তি: মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষা কোটায় আবেদনে যোগ্যতার বিষয়ে সতর্কতা


২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে অনলাইনে আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষা কোটার ক্ষেত্রে নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণের বিষয়ে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। গতকাল সোমবার (৩১ আগস্ট) পৃথক চিঠির মাধ্যমে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদন করতে হলে শিক্ষার্থীকে অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধা অথবা শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হতে হবে। নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকলেও কেউ আবেদন করে নির্বাচিত হলে পরবর্তী সময়ে কলেজে ভর্তি হতে পারবেন না।

কোটায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তির সময় সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র কিংবা গেজেটের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে মূল কাগজপত্রও প্রদর্শন করতে হবে। প্রয়োজনীয় প্রমাণক দেখাতে ব্যর্থ হলে ওই শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল বলে গণ্য হবে। ফলে মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিসহ যাঁরা নির্ধারিত যোগ্যতার আওতায় পড়েন না, তাঁদের এ কোটায় আবেদন না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, একাদশে ভর্তির অনলাইন আবেদনে ইকিউ-১ ও ইকিউ-২ বা এডুকেশন কোটা-১ ও ২-এর ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট যোগ্যতা পূরণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

ইকিউ-১ (এডুকেশন কোটা-১):
এই কোটার সুবিধা পেতে হলে আবেদনকারীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর সন্তান হতে হবে।

ইকিউ-২ (এডুকেশন কোটা-২):
এ কোটার আওতায় আবেদন করতে হলে শিক্ষার্থীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন নির্ধারিত ২৮টি দপ্তর বা সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তান হতে হবে।

এ ছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন সরকারি স্কুল, সরকারি কলেজ, সরকারি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং সরকারি শিক্ষা অফিসে কর্মরত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানরাও নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী এ কোটার সুবিধা পাবেন।

বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, শুধু আবেদন করলেই কোটা সুবিধা নিশ্চিত হবে না। নির্ধারিত যোগ্যতা যাচাইয়ের পরই ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে। তাই যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও কোনো কোটায় আবেদন করে নির্বাচিত হলেও শেষ পর্যন্ত কলেজে ভর্তি হওয়া সম্ভব হবে না।