রবিবার, আগস্ট ৩০, ২০২৬
১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> সাগর–রুনি হত্যা: সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সংশ্লিষ্টতার দাবি, নাম প্রকাশ হয়নি

>> আত্মহত্যা না হত্যা? মিকার মৃত্যুর আগের ঘটনা তুলে ধরল সিরিজ

>> অব্যাহতি পাওয়া শিক্ষকের স্থায়ী বরখাস্তের দাবিতে এক বিভাগে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন

>> যে ৯ ম্যাচে মেসি করেছেন ৩৮ গোল

>> নিয়মিত তাহাজ্জুদের সময় জেগে ওঠার ৬ কৌশল

>> গোপালগঞ্জ বিআরটিএ কার্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগ, অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের দাবি সেবাগ্রহীতাদের

>> প্রচলিত অস্ত্রের মজুতে ঘাটতি, ইরানে পারমাণবিক হামলার আশঙ্কা: ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা

>> ‘ব্যাড টিচার’ সিনেমা দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন যে নায়িকা

>> অটোরিকশায় পলিথিনে মোড়ানো ৮ আগ্নেয়াস্ত্র, দুজন গ্রেপ্তার

>> হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

আপনি পড়ছেন : শিক্ষা

অব্যাহতি পাওয়া শিক্ষকের স্থায়ী বরখাস্তের দাবিতে এক বিভাগে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন


Rabeya ৩০ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৫:৪৬



অব্যাহতি পাওয়া শিক্ষকের স্থায়ী বরখাস্তের দাবিতে এক বিভাগে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের শিক্ষক সুজন সেনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবিতে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করেছেন ছাপচিত্র ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চারুকলা অনুষদ ভবনের শ্রেণিকক্ষে তালা দিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পছন্দের শিক্ষার্থীকে সুবিধা দেওয়া, অর্থসংক্রান্ত অনিয়ম, অযোগ্যতা ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট শিক্ষার্থীরা সুজন সেনকে বিভাগে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। পরে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের প্রমাণ সংযুক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়।

অভিযোগের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর তাঁকে বিভাগের একাডেমিক কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্তে তাঁর আচরণকে ‘নৈতিক স্খলন’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

সবশেষ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৫৪৮তম সভায় তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সুজন সেনকে পাঁচ বছরের জন্য সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে সহযোগী অধ্যাপক পদ থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে অবনমন করা হয়েছে এবং পাঁচ বছর কোনো ইনক্রিমেন্ট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তবে শিক্ষার্থীরা এই শাস্তিকে ‘নামমাত্র’ ও ‘দায়সারা’ বলে দাবি করছেন। তাঁদের অভিযোগ, পাঁচ বছরের জন্য একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি পেলেও তিনি চাকরিতে বহাল থাকবেন এবং বেতন-ভাতা পাবেন।

শিক্ষার্থী আছিয়া খাতুন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধান অনুযায়ী কোনো শিক্ষকের নৈতিক স্খলন হলে তাঁকে চাকরিচ্যুত করার সুযোগ রয়েছে। তাই সুজন সেনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবি তাঁদের।

শিক্ষার্থীদের দুটি প্রধান দাবি হলো—তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ করা এবং সুজন সেনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণে স্পষ্ট রূপরেখা না দিলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, সুজন সেনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত সিন্ডিকেট নিয়েছে। তবে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া ঠিক নয়। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে।