২০২৬ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে এ পরীক্ষা। পরীক্ষার্থীদের জন্য ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাও দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
রোববার (২৩ আগস্ট) জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশের পাশাপাশি এসব নির্দেশনা জানানো হয়।
সূচি অনুযায়ী, ৮ ডিসেম্বর বাংলা, ১০ ডিসেম্বর ইংরেজি, ১৩ ডিসেম্বর গণিত এবং ১৫ ডিসেম্বর বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে প্রকাশিত শিক্ষাপঞ্জিতে ১৫ থেকে ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তবে নতুন সূচি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের আগেই পরীক্ষা শুরু ও শেষ হবে।
১. পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ আসনে বসতে হবে।
২. প্রশ্নপত্রে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে মোট ৩ ঘণ্টা পরীক্ষা হবে—প্রতিটি বিষয়ে দেড় ঘণ্টা করে।
৩. পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছ থেকে পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে সাত দিন আগে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে।
৪. উত্তরপত্রের OMR অংশে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোড সঠিকভাবে লিখে নির্ধারিত বৃত্ত ভরাট করতে হবে। কোনোভাবেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।
৫. পরীক্ষায় বোর্ড অনুমোদিত সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে।
৬. কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী মুঠোফোন কিংবা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস পরীক্ষাকেন্দ্রে নিয়ে যেতে পারবেন না।
এবার জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা হবে মোট ৪০০ নম্বরে। প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তি দেওয়া হবে।
বাংলা, ইংরেজি ও গণিত—প্রতিটি বিষয়ে থাকবে ১০০ নম্বর করে এবং প্রতিটি পরীক্ষার সময় ৩ ঘণ্টা।
অন্যদিকে বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে ৫০ নম্বর করে মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এ দুই বিষয়ের জন্য মোট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ ঘণ্টা, অর্থাৎ প্রতিটি বিষয়ে দেড় ঘণ্টা করে।
শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই পরীক্ষার প্রস্তুতির পাশাপাশি প্রবেশপত্র, OMR পূরণ এবং পরীক্ষাকেন্দ্রের নিয়মকানুন সম্পর্কে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।