রবিবার, আগস্ট ৩০, ২০২৬
১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> নিয়মিত তাহাজ্জুদের সময় জেগে ওঠার ৬ কৌশল

>> গোপালগঞ্জ বিআরটিএ কার্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগ, অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের দাবি সেবাগ্রহীতাদের

>> প্রচলিত অস্ত্রের মজুতে ঘাটতি, ইরানে পারমাণবিক হামলার আশঙ্কা: ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা

>> ‘ব্যাড টিচার’ সিনেমা দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন যে নায়িকা

>> অটোরিকশায় পলিথিনে মোড়ানো ৮ আগ্নেয়াস্ত্র, দুজন গ্রেপ্তার

>> হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

>> স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসের স্ত্রী-সন্তানদের স্বজনের জিম্মায় দিল পুলিশ

>> বাংলামোটর থেকে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা, অংশ নিয়েছেন জামায়াত জোটের নেতারা

>> চেলসির নীল জার্সিতে এমি মার্তিনেজ, তিন বছরের চুক্তিতে যোগ দিলেন আর্জেন্টাইন গোলকিপার

>> অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে দ্রুত দাহের অভিযোগ, সাবেক তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ রিমান্ডে

আপনি পড়ছেন : হবিগঞ্জ

হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত


Rabeya ৩০ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৪:৩২



হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত


হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার চিমটিবিল সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গুলি চালালে সোহাগ মিয়া (২১) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আজ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সীমান্তের ভারতীয় অংশে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সোহাগ চিমটিবিল এলাকার বাসিন্দা সফিকুল ইসলামের ছেলে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, তিনি রাখাল হিসেবে কাজ করতেন।

বিজিবি হবিগঞ্জ ৫৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল তানজিলুর রহমান জানান, ঘটনার পর বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সীমান্তের শূন্যলাইন থেকে প্রায় এক কিলোমিটার ভেতরে ভারতীয় অংশে গুলির ঘটনা ঘটে। বিএসএফ গরু চোরাকারবারি শনাক্ত করে গুলি চালালে ওই ব্যক্তি নিহত হন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

বিজিবি কর্মকর্তা জানান, নিহতের লাশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বিজিবি ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চিমটিবিল সীমান্ত এলাকায় হঠাৎ গুলির শব্দ শুনতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে সীমান্তের কাছে এক ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাঁর পোশাক দেখে স্থানীয়দের ধারণা হয়, তিনি বাংলাদেশি।

পরিবারের সদস্যরা পরে তাঁকে সোহাগ মিয়া হিসেবে শনাক্ত করেন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের চাচা আবদুল কাদিরের দাবি, সোহাগ সীমান্ত এলাকায় গরুকে ঘাস খাওয়াতে গিয়েছিলেন। সেখানে বিএসএফ তাঁকে গরু চোরাকারবারি সন্দেহে গুলি করে।

ঘটনার পর দুপুর পর্যন্ত সোহাগের লাশ চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছিল। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার পর থানার পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতহাল সম্পন্ন করে।