রবিবার, আগস্ট ৩০, ২০২৬
১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> আত্মহত্যা না হত্যা? মিকার মৃত্যুর আগের ঘটনা তুলে ধরল সিরিজ

>> অব্যাহতি পাওয়া শিক্ষকের স্থায়ী বরখাস্তের দাবিতে এক বিভাগে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন

>> যে ৯ ম্যাচে মেসি করেছেন ৩৮ গোল

>> নিয়মিত তাহাজ্জুদের সময় জেগে ওঠার ৬ কৌশল

>> গোপালগঞ্জ বিআরটিএ কার্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগ, অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের দাবি সেবাগ্রহীতাদের

>> প্রচলিত অস্ত্রের মজুতে ঘাটতি, ইরানে পারমাণবিক হামলার আশঙ্কা: ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা

>> ‘ব্যাড টিচার’ সিনেমা দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন যে নায়িকা

>> অটোরিকশায় পলিথিনে মোড়ানো ৮ আগ্নেয়াস্ত্র, দুজন গ্রেপ্তার

>> হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

>> স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসের স্ত্রী-সন্তানদের স্বজনের জিম্মায় দিল পুলিশ

আপনি পড়ছেন : ধর্ম

নিয়মিত তাহাজ্জুদের সময় জেগে ওঠার ৬ কৌশল


Rabeya ৩০ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৫:২৯



নিয়মিত তাহাজ্জুদের সময় জেগে ওঠার ৬ কৌশল


ফরজ নামাজের পর রাতের নফল নামাজের মধ্যে তাহাজ্জুদের বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। সহিহ মুসলিমের একটি হাদিসে রাতের নামাজকে ফরজ নামাজের পর সর্বশ্রেষ্ঠ নামাজ বলা হয়েছে।

ব্যস্ত জীবন, দেরিতে ঘুমানো কিংবা অনিয়মিত রুটিনের কারণে অনেকেরই শেষ রাতে ঘুম থেকে ওঠা কঠিন হয়ে পড়ে। নিয়মিত তাহাজ্জুদের অভ্যাস গড়ে তুলতে কয়েকটি বিষয় কাজে লাগতে পারে।

১. খাঁটি নিয়ত ও সংকল্প
তাহাজ্জুদের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও তাঁর নৈকট্য লাভ। দৃঢ়ভাবে সিদ্ধান্ত নিন যে প্রতিদিন বা সামর্থ্য অনুযায়ী নিয়মিত তাহাজ্জুদ আদায় করবেন। আন্তরিক নিয়ত ও মানসিক প্রস্তুতি ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস তৈরিতে সহায়তা করতে পারে।

২. দ্রুত ঘুমানোর অভ্যাস করুন
রাতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে জেগে না থেকে এশার নামাজের পর যতটা সম্ভব দ্রুত ঘুমানোর চেষ্টা করুন। পর্যাপ্ত ঘুম হলে শেষ রাতে জেগে ওঠা তুলনামূলক সহজ হয়।

৩. অ্যালার্মের সঠিক ব্যবহার
ফজরের কিছু আগে ওঠার জন্য মোবাইল ফোনে একাধিক অ্যালার্ম সেট করতে পারেন। ফোনটি বিছানা থেকে কিছুটা দূরে রাখলে অ্যালার্ম বন্ধ করতে উঠে দাঁড়াতে হবে—এতে ঘুম কাটতে সাহায্য করবে।

৪. ঘুমের আগে প্রস্তুতি নিন
ঘুমানোর আগেই জায়নামাজ, প্রয়োজনীয় পোশাক ও অন্যান্য জিনিস প্রস্তুত করে রাখুন। এতে ঘুম থেকে ওঠার পর সময় নষ্ট হবে না এবং নামাজ আদায়ের মানসিক বাধাও কমবে।

৫. রাত জাগার অভ্যাস কমান
অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দেখা কিংবা গভীর রাত পর্যন্ত বিনোদনে ব্যস্ত থাকা ঘুমের সময় পিছিয়ে দেয়। তাহাজ্জুদের অভ্যাস গড়তে রাতে এসব কাজের সময় সীমিত করা গুরুত্বপূর্ণ।

৬. অল্প দিয়ে শুরু করুন
প্রথম থেকেই প্রতিদিন দীর্ঘ সময় তাহাজ্জুদ পড়ার লক্ষ্য না রেখে দুই রাকাত দিয়ে শুরু করতে পারেন। ধীরে ধীরে নিয়মিত হওয়ার পর নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী নামাজের পরিমাণ বাড়ানো সম্ভব।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিয়মিততা। কোনো দিন ঘুম থেকে উঠতে না পারলে হতাশ না হয়ে পরের দিন আবার চেষ্টা করুন। তাহাজ্জুদকে জীবনের একটি সুন্দর ও ধারাবাহিক ইবাদতে পরিণত করাই হোক লক্ষ্য।