মঙ্গলবার, আগস্ট ২৫, ২০২৬
১০ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ব্রাজিলের ম্যাচ আয়োজনে সরকারি অর্থ ব্যয়ের পরিকল্পনা নেই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

>> দাম্পত্যের টানাপোড়েন, যৌনতা আর অস্বস্তিকর এক ডিনার পার্টির গল্প

>> যুক্তরাজ্যে হাজারো যৌন অপরাধীকে যৌন আকাঙ্ক্ষা কমানোর ওষুধ দেওয়ার পরিকল্পনা

>> এআই মডেলের অপব্যবহার ঠেকাতে নতুন নিরাপত্তাব্যবস্থা চালু করছে ওপেনএআই

>> প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে গণ–অনশন, আন্দোলনকারীদের পাশে এমপি

>> মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত, নিরাপদ প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে জোর বাংলাদেশের

>> সরকারের গুদামে সার আছে, সংকট বিতরণে

>> ফরিদপুর পৌরসভার উন্নয়নে মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় আয়মান হোসেন অপু

>> ঘুষের বিনিময়ে অবৈধ স্লিপার বাসের নিবন্ধন: বিআরটিএ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, ঝুঁকিতে জননিরাপত্তা

>> ওসি পরিচয়ে ব্যবসায়ীর গাড়ি আটকে আড়াই কোটি টাকার মালামাল ছিনতাইয়ের অভিযোগ বিএনপি নেতা সম্রাটের বিরুদ্ধে

আপনি পড়ছেন : শিক্ষা

একাদশে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ, আবেদন শুরু ২ সেপ্টেম্বর


Rabeya ২৪ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৩:৫৫



একাদশে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ, আবেদন শুরু ২ সেপ্টেম্বর


২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। আর সব প্রক্রিয়া শেষে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।

এবারও একাদশে ভর্তির জন্য কোনো বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করে ভর্তি করা হবে।

গুরুত্বপূর্ণ তারিখ

  • ২–১০ সেপ্টেম্বর: একাদশে ভর্তির মূল আবেদন

  • ১২–১৩ সেপ্টেম্বর: পুনর্নিরীক্ষণ বা পুনর্মূল্যায়নে ফল পরিবর্তিত শিক্ষার্থীদের আবেদন

  • ১২–১৩ সেপ্টেম্বর: পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ

  • ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা: নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ

  • ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা: ভর্তি নিশ্চায়নের শেষ সময়

  • ২০–২২ সেপ্টেম্বর: একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি

  • ২৩ সেপ্টেম্বর: ক্লাস শুরু

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন না করলে শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।

৯৩ শতাংশ মেধা, ৭ শতাংশ কোটা

নীতিমালা অনুযায়ী কলেজের মোট আসনের ৯৩ শতাংশ সবার জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে। বাকি ৭ শতাংশ আসন কোটা হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে।

এর মধ্যে—

  • ৫ শতাংশ: মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের জন্য

  • ১ শতাংশ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য

  • ১ শতাংশ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য

মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সনদ ও প্রমাণপত্র যাচাই করা হবে। যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে ওই আসন খালি রাখা হবে না; মেধাতালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, এই কোটাব্যবস্থা শুধু ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য

জিপিএ সমান হলে কীভাবে মেধাক্রম?

একাধিক শিক্ষার্থীর জিপিএ সমান হলে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।

বিজ্ঞান বিভাগে মোট নম্বরও সমান হলে পর্যায়ক্রমে সাধারণ গণিত ও উচ্চতর গণিত/জীববিজ্ঞানের নম্বর বিবেচনা করা হবে। এরপর প্রয়োজন হলে ইংরেজি, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের নম্বর দেখা হবে।

মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে মোট নম্বর সমান হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ের নম্বর বিবেচনা করা হবে।

আর এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে জিপিএ ও মোট নম্বর সমান হলে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ের নম্বর পর্যায়ক্রমে বিবেচনা করে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।

সুতরাং, এসএসসি ফলের পর একাদশে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা এবং পছন্দক্রম সঠিকভাবে দেওয়া।