২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। আর সব প্রক্রিয়া শেষে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।
এবারও একাদশে ভর্তির জন্য কোনো বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করে ভর্তি করা হবে।
২–১০ সেপ্টেম্বর: একাদশে ভর্তির মূল আবেদন
১২–১৩ সেপ্টেম্বর: পুনর্নিরীক্ষণ বা পুনর্মূল্যায়নে ফল পরিবর্তিত শিক্ষার্থীদের আবেদন
১২–১৩ সেপ্টেম্বর: পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ
১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা: নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ
১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা: ভর্তি নিশ্চায়নের শেষ সময়
২০–২২ সেপ্টেম্বর: একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি
২৩ সেপ্টেম্বর: ক্লাস শুরু
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন না করলে শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।
নীতিমালা অনুযায়ী কলেজের মোট আসনের ৯৩ শতাংশ সবার জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে। বাকি ৭ শতাংশ আসন কোটা হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে।
এর মধ্যে—
৫ শতাংশ: মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের জন্য
১ শতাংশ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য
১ শতাংশ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সনদ ও প্রমাণপত্র যাচাই করা হবে। যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে ওই আসন খালি রাখা হবে না; মেধাতালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, এই কোটাব্যবস্থা শুধু ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য।
একাধিক শিক্ষার্থীর জিপিএ সমান হলে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।
বিজ্ঞান বিভাগে মোট নম্বরও সমান হলে পর্যায়ক্রমে সাধারণ গণিত ও উচ্চতর গণিত/জীববিজ্ঞানের নম্বর বিবেচনা করা হবে। এরপর প্রয়োজন হলে ইংরেজি, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের নম্বর দেখা হবে।
মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে মোট নম্বর সমান হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ের নম্বর বিবেচনা করা হবে।
আর এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে জিপিএ ও মোট নম্বর সমান হলে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ের নম্বর পর্যায়ক্রমে বিবেচনা করে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।
সুতরাং, এসএসসি ফলের পর একাদশে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা এবং পছন্দক্রম সঠিকভাবে দেওয়া।