বুধবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬
১৮ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> না বুঝে স্টেরয়েড গ্রহণে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

>> প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষায় অংশ, চাকরিতে যোগ দিতে এসে পিএসসিতে আটক প্রার্থী

>> বাবার ইসলাম গ্রহণে ছেলেদের অভিনব কৌশল

>> সবচেয়ে ব্যয়বহুল এনজো ফার্নান্দেজ, প্রিমিয়ার লিগে দলবদলের নতুন রেকর্ড

>> সফর শেষে ঢাকা ছাড়লেন আইপিইউ মহাসচিব

>> জয়পুরহাটে হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

>> ‘কখনো কখনো মনে হয়, বেঁচে থাকাটাই অর্থহীন’—নেপালের বন্যায় স্বজনহারা শ্রমিক

>> রোগীর মৃত্যু নিয়ে সংঘর্ষ, চার ছাত্রদল নেতাসহ ৬ জন আটক

>> হাসপাতালে জ্বালানিমন্ত্রীকে দেখতে গেলেন রাষ্ট্রপতি

>> চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ, সেবা নিতে গিয়ে ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

আপনি পড়ছেন : রাজনীতি

প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষায় অংশ, চাকরিতে যোগ দিতে এসে পিএসসিতে আটক প্রার্থী


Rabeya ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১:৫১



প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষায় অংশ, চাকরিতে যোগ দিতে এসে পিএসসিতে আটক প্রার্থী


বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয়ে চাকরিতে যোগ দিতে এসে আটক হয়েছেন রিপন হোসেন নামের এক প্রার্থী। অভিযোগ রয়েছে, অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পেতে তিনি লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রক্সি পরীক্ষার্থী ব্যবহার করেছিলেন।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পিএসসি সচিবালয়ে যোগদানের জন্য উপস্থিত হলে পরিচয় যাচাইয়ের সময় তাঁর বিষয়ে সন্দেহ হয়। পরে তাঁকে আটক করে শেরেবাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় এজাহারও দায়ের করা হয়েছে।

রিপন হোসেন মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া থানার বাহা গ্রামের বাসিন্দা। অফিস সহায়ক পদে তাঁর রোল নম্বর ছিল ২১০১১৮৭।

পিএসসি সচিবালয় সূত্র জানায়, নিয়োগপ্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চাকরিতে যোগ দিতে মঙ্গলবার কমিশন সচিবালয়ে আসেন রিপন। এ সময় কর্মকর্তারা তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করতে প্রবেশপত্রে থাকা ছবির সঙ্গে তাঁর চেহারা এবং মৌখিক পরীক্ষার দিনের সিসিটিভি ফুটেজ মিলিয়ে দেখেন। এতে অসঙ্গতি ধরা পড়লে তাঁর পরিচয় নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়।

বিষয়টি প্রথমে উপপরিচালক শোভন সমাদ্দারকে জানানো হয়। পরে তিনি উপসচিব ওয়াসিমুল বারীকে বিষয়টি অবহিত করেন। এরপর কর্মকর্তারা রিপনকে জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাই-বাছাই করেন।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে রিপন নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করেন বলে পিএসসি সূত্র জানিয়েছে। তিনি জানান, লিখিত ও মৌখিক—কোনো পরীক্ষাতেই তিনি নিজে অংশ নেননি। দুই পরীক্ষাতেই তাঁর হয়ে অন্য ব্যক্তি প্রক্সি হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন।

ঘটনার বিস্তারিত জানার পর তাঁকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।