মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬
১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ জনের মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৯৭৯

>> বছরে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত টার্নওভারে থাকছে না কোনো কর

>> ডিবি পরিচয়ে ১২ লাখ টাকা ছিনতাই, সন্দেহভাজন শনাক্ত

>> ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির মধ্যেই রাশিয়া–চীন সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুতিন-সির

>> জুলাই যোদ্ধাকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ফাউন্ডেশনের ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

>> অতীত ভুলে নয়, সামনে এগিয়ে যেতে হবে: দীনেশ ত্রিবেদী

>> দুর্গন্ধে খবর পেয়ে তালা ভেঙে বৃদ্ধার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

>> ফরিদপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মশালমিছিল, নেতৃত্বে জেলা সভাপতি

>> নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগের পর জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান

>> মেসির অবসরের খবরে আবেগাপ্লুত বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন

আপনি পড়ছেন : রাজনীতি

জুলাই যোদ্ধাকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ফাউন্ডেশনের ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা


Rabeya ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৩:২৯



জুলাই যোদ্ধাকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ফাউন্ডেশনের ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা


জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মারধর, চাঁদা দাবি ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে। ঢাকার একটি আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালতে গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা মো. গিয়াস উদ্দিন মামলাটি করেন। আদালত আগামী ৫ অক্টোবরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাইদুর রহমান শহীদ ও জ্যেষ্ঠ ভেরিফিকেশন কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে আরও ১২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে গিয়াস উদ্দিন দাবি করেন, সরকার ঘোষিত সুযোগ-সুবিধা ও চেক পাওয়ার জন্য তিনি ফাউন্ডেশনে যোগাযোগ করছিলেন। একপর্যায়ে তাঁর কাছে অবৈধ সুবিধা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের ৩ মে চেক নিতে ফাউন্ডেশনে গেলে তাঁর সরকারি বরাদ্দের ৩ লাখ টাকার অর্ধেক, অর্থাৎ দেড় লাখ টাকা চাঁদা হিসেবে দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে একটি কক্ষে নিয়ে মারধর ও শারীরিক নির্যাতন করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার বিবরণে আরও বলা হয়েছে, একপর্যায়ে গিয়াস উদ্দিন জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে নেওয়া হয়। হামলায় তাঁর ডান চোখ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

গিয়াস উদ্দিন জানান, ঘটনার পর তিনি চিকিৎসা নেন। পরে রমনা থানায় মামলা করতে গেলেও অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি বলে তাঁর দাবি। এরপর আদালতের মাধ্যমে আইনি প্রতিকার চেয়ে মামলা করেন তিনি।

আদালত মামলাটি গ্রহণ করে সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন। তদন্তে অভিযোগগুলোর সত্যতা ও ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হবে।