মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬
২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> জমিতে ছিটানো কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হয়েছিল শিক্ষার্থীরা

>> ফেরেশতাদের সৃষ্টি কেন ও কীভাবে?

>> হাজতখানায় কেক কাটার অভিযোগ অস্বীকার জিয়াউল আহসানের আইনজীবীর, ‘মিডিয়া ট্রায়ালের’ অভিযোগ

>> মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে মাদকসহ দুই পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

>> সুগন্ধি চাল রপ্তানির কোটা ৫০ শতাংশ কমাল সরকার

>> প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন, সীতাকুণ্ডে তিনজন গ্রেপ্তার; উদ্ধার হয়নি ব্যবহৃত অস্ত্র

>> সরকারি অফিসে যাতায়াত কমলেই দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী

>> ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, চিকিৎসককে হত্যার হুমকি

>> জার্মান সরকারের সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশের শাকিল সৈয়দ

>> ২০২৭ সালে কিছুটা স্বস্তি, ২০২৮-এ আরও স্বস্তি, ২০৩০-এ জ্বালানিসংকটমুক্তির লক্ষ্য

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

হাজতখানায় কেক কাটার অভিযোগ অস্বীকার জিয়াউল আহসানের আইনজীবীর, ‘মিডিয়া ট্রায়ালের’ অভিযোগ


Rabeya ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৪:০৬



হাজতখানায় কেক কাটার অভিযোগ অস্বীকার জিয়াউল আহসানের আইনজীবীর, ‘মিডিয়া ট্রায়ালের’ অভিযোগ


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান কেক কেটেছেন—এমন অভিযোগকে সত্য নয় বলে দাবি করেছেন তাঁর আইনজীবী ও বোন নাজনীন নাহার। তাঁর অভিযোগ, যাচাইহীন ও ভুল তথ্য প্রচারের মাধ্যমে জিয়াউল আহসানকে গণমাধ্যমে ‘মিডিয়া ট্রায়ালের’ মুখোমুখি করা হচ্ছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে বিচার চলছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় শতাধিক ব্যক্তিকে গুম ও হত্যার ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় এক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের পর নাজনীন নাহার ট্রাইব্যুনালের কাছে কেক কাটার প্রসঙ্গটি তুলে ধরেন।

‘ঘটনার দিন ট্রাইব্যুনালে ছিলেন না জিয়াউল’

ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের নাজনীন নাহার বলেন, ১৮ আগস্ট হাজতখানায় কেক কাটার একটি ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তবে কারা ওই ঘটনা ঘটিয়েছে বা কে কেক কেটেছেন, সে বিষয়ে তাঁর কোনো তথ্য নেই।

তাঁর দাবি, যে দিন কেক কাটার ঘটনা ঘটেছে বলে বলা হচ্ছে, সেদিন জিয়াউল আহসান ট্রাইব্যুনালেই উপস্থিত ছিলেন না। এরপরও বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাঁকে জড়িয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

নাজনীন নাহার বলেন, কোনো ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকা সত্ত্বেও যদি একজনকে নিয়ে এমন খবর প্রচার করা হয়, তাহলে সেটি অন্যায়। তাঁর ভাষায়, এ ধরনের প্রচার ‘মিডিয়া ট্রায়াল’-এর শামিল। তিনি বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের নজরে এনে ন্যায়বিচার ও প্রতিকার চেয়েছেন।

বিচারাধীন বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ

এ বিষয়ে বিচারাধীন মামলা নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার কথা জানিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’-সংক্রান্ত অভিযোগটি চিফ প্রসিকিউটরকে অবহিত করার জন্য বলা হয়েছে।

প্রসিকিউশনের বক্তব্য

আসামিপক্ষের অভিযোগের জবাব দেন রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম। তিনি আসামিপক্ষের আনা অভিযোগকে অসত্য বলে দাবি করেন।

মিজানুল ইসলাম বলেন, জিয়াউল আহসান কেক কেটেছেন—এমন কোনো বক্তব্য চিফ প্রসিকিউটর সরাসরি দেননি। কেক কাটার ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে—এমন তথ্যই জানানো হয়েছে বলে তাঁর দাবি।

তিনি আরও বলেন, চিফ প্রসিকিউটরের কাছে কোনো অভিযোগ এলে সেটি তদন্ত করার আইনগত এখতিয়ার রয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো বেআইনি বা আদালত অবমাননাকর বক্তব্য দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

রাষ্ট্রপক্ষ কোনো ধরনের ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ করছে না বলেও স্পষ্ট করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম।