মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬
২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন, সীতাকুণ্ডে তিনজন গ্রেপ্তার; উদ্ধার হয়নি ব্যবহৃত অস্ত্র

>> সরকারি অফিসে যাতায়াত কমলেই দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী

>> ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, চিকিৎসককে হত্যার হুমকি

>> জার্মান সরকারের সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশের শাকিল সৈয়দ

>> ২০২৭ সালে কিছুটা স্বস্তি, ২০২৮-এ আরও স্বস্তি, ২০৩০-এ জ্বালানিসংকটমুক্তির লক্ষ্য

>> কারখানার শ্রমিক থেকে অ্যাপল-টেসলার সরবরাহকারী, ঝোউ ছুনফেইয়ের অবিশ্বাস্য উত্থান

>> দেড় ডিগ্রি উষ্ণতা বাড়লেই বড় বিপদের মুখে পৃথিবী

>> চলন্ত বাসের নিচে মোটরসাইকেল, প্রাণ গেল দুই আরোহীর

>> হামে ভয়াবহ পরিস্থিতি, মৃত্যু ছাড়াল ৯৯০

>> বিআরটিএ কর্মকর্তা জমির হোসেনের পদোন্নতি নিয়ে প্রশ্ন, যশোর-সাতক্ষীরায় অনিয়মের অভিযোগ

আপনি পড়ছেন : চট্টগ্রাম

প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন, সীতাকুণ্ডে তিনজন গ্রেপ্তার; উদ্ধার হয়নি ব্যবহৃত অস্ত্র


Rabeya ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৩:১৩



প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন, সীতাকুণ্ডে তিনজন গ্রেপ্তার; উদ্ধার হয়নি ব্যবহৃত অস্ত্র


চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার সময় তাঁদের হাতে দেখা যাওয়া অস্ত্রগুলো এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. সাদেক আলী (২৮), কামরুল হাসান (৪৩) ও মো. হানিফ (৩৪)। সোমবার রাতে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে একটি দেশি একনলা কাটা বন্দুক, ১১টি ছুরি, তিনটি কিরিচ, একটি দা ও ১৫টি লাঠি উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি-ভিডিও বিশ্লেষণ করে অস্ত্রধারীদের শনাক্ত করা হয়। প্রকাশিত ছবিতে সাদেক আলী ও সিরাজুল ইসলাম নামে দুজনকে অস্ত্র হাতে দেখা যায়। সাদেককে মিরসরাই থেকে গ্রেপ্তার করা হলেও সিরাজুল এখনো পুলিশের হাতে ধরা পড়েননি।

ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণের মাধ্যমে পুলিশ কামরুল হাসান ও হানিফের কাছেও অস্ত্র থাকার বিষয়টি শনাক্ত করে। পুলিশের দাবি, কামরুলের হাতে শুটার গান এবং হানিফের কাছে পিস্তল ছিল। ঘটনার সময় হানিফের বহন করা একটি ব্যাগেও অস্ত্র থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছে পুলিশ।

সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মহিনুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর থেকেই অস্ত্রধারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়। মিরসরাই থেকে সাদেক, চাঁদপুর থেকে কামরুল এবং সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরের ছিন্নমূল এলাকা থেকে হানিফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারের সময় উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলোর মধ্যে ঘটনার দিনের ছবিতে দেখা অস্ত্র নেই বলে জানিয়েছে পুলিশ। ওসি বলেন, তাঁদের ধারণা, ঘটনার পর অস্ত্রগুলো অন্যদের কাছে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চলছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হানিফকে আদালতে পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করা হয়। আদালত তাঁর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। একই সঙ্গে ঘটনার সময় ব্যবহৃত পিস্তলসহ অন্যান্য অস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

গত ১ সেপ্টেম্বর দুপুরে সীতাকুণ্ড পৌর সদরের হাসান গোমস্তা মসজিদ এলাকায় বিএনপির দুই পক্ষের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণের পাশাপাশি তিনটি মিনিবাস ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

ঘটনার পর ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতে কয়েকজনকে প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে দেখা যায়। তাঁদের মধ্যে সাদেক ও সিরাজুলের ছবি বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। সিরাজুলের ভাই আমিনুল ইসলামও তাঁর ভাইয়ের অস্ত্রসহ ছবি ও ভিডিও দেখার কথা জানিয়ে দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই।

পুলিশ বলছে, অবৈধ অস্ত্র প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযুক্ত ব্যক্তি যে রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর সঙ্গেই যুক্ত থাকুক না কেন, ঘটনায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।