সোমবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৬
৪ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> দুর্গাপূজার ছুটিতে মেট্রোরেলের সময়সূচিতে পরিবর্তন

>> সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির একজন শ্রমিক, অন্যজন ওমরাহ যাত্রী

>> মতলব উত্তরে যুবলীগ নেতাসহ আটক ১০, আদালতে ২ জন

>> মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা ইশরাক হোসেনের

>> রাষ্ট্রের ব্যর্থতায় অস্ত্র হাতে মাঠে নামতে হয়েছে ইশরাককে: আখতার হোসেন

>> রাজউকে নকশা অনুমোদনে ৫–৬ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ, কাঠগড়ায় কর্মকর্তা সাইদা ইসলাম

>> ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৮৪, মাদকসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার

>> ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক চান পুতিন

>> দুপুর ২টায় পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন ইশরাক হোসেন

>> দুপুর ২টায় পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন

আপনি পড়ছেন : ঢাকা

মিরপুর বিআরটিএতে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ, হয়রানি ও চাঁদাবাজির দাবি


Sifat Islam Sohag ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৫:১৭



মিরপুর বিআরটিএতে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ, হয়রানি ও চাঁদাবাজির দাবি


রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যালয়ে দালাল চক্রের তৎপরতা, গ্রাহক হয়রানি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও একটি চক্র বিভিন্ন সেবা নিতে আসা মানুষের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

অভিযোগে মোহাম্মদ দুলাল ওরফে ‘খাটো দুলাল’ বা ‘পিচ্চি দুলাল’ নামের এক ব্যক্তির কথা উঠে এসেছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিআরটিএ কার্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার, দালালি ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দুলাল।

অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্টদের দাবি, বিআরটিএর ১২৭ নম্বর কক্ষসহ বিভিন্ন শাখায় দালালদের তৎপরতা রয়েছে। যানবাহনের ফিটনেস, মালিকানা পরিবর্তন, রোড পারমিটসহ বিভিন্ন সেবা নিতে আসা গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, বিআরটিএর কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে দুলাল ও তাঁর সহযোগীদের যোগাযোগ রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

দুলাল নিজেকে স্থানীয় যুবদলের এক নেতার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচয় দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে ওই নেতা তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারাও জানিয়েছেন, দুলাল বর্তমানে দলের কোনো পদে নেই এবং দলের নাম ব্যবহার করে কেউ বেআইনি কর্মকাণ্ড করলে তার দায় দল নেবে না।

এদিকে দালাল চক্রের কর্মকাণ্ড নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এতে বিআরটিএর কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে দুলালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিআরটিএ বা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁর বিরুদ্ধে আনা বিভিন্ন অভিযোগও তিনি প্রত্যাখ্যান করেন।

সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, সরকারি দপ্তরে দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধ না হলে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও অতিরিক্ত অর্থ দেওয়ার পরিস্থিতি থেকে মুক্ত করা কঠিন হবে। তাঁরা অভিযোগগুলো তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।