শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
২৩ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

>> জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান রিহ্যাব নেতাদের

>> শেখ মুজিবকে আওয়ামী লীগের একটি অংশ হত্যা করেছিল: ত্রাণমন্ত্রী

>> জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢল

>> গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়াল সরকার, আজ থেকেই কার্যকর

>> বিএনপির শোভাযাত্রা ঘিরে নয়াপল্টনে কঠোর নিরাপত্তা, মোতায়েন ডগ স্কোয়াড

>> ইরানের কেশম দ্বীপে নতুন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প

>> জাতীয়তাবাদের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশ পথ হারাবে না: প্রধানমন্ত্রী

>> ইরানে ‘দখলদার’ হিসেবে থাকার ইঙ্গিত ট্রাম্পের, হরমুজ নিয়ন্ত্রণের দাবিও

>> চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর

আপনি পড়ছেন : রাজনীতি

গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়াল সরকার, আজ থেকেই কার্যকর


Sifat Islam Sohag ৭ নভেম্বর ২০২৬, দুপুর ২:১০



গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়াল সরকার, আজ থেকেই কার্যকর


গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাসিক বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সাধারণ গ্রাম পুলিশ সদস্যদের বেতন ৭ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে, গ্রাম পুলিশ প্রধানদের মাসিক বেতন ৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ হাজার টাকা।

এ ছাড়া অবসরকালীন আনুতোষিকও বাড়ানো হয়েছে। সাধারণ গ্রাম পুলিশ সদস্যরা এখন থেকে ৭০ হাজার টাকার পরিবর্তে ৮০ হাজার টাকা পাবেন। আর গ্রাম পুলিশ প্রধানদের আনুতোষিক ৮০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে এসব ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানান, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর থেকেই নতুন বেতন ও আনুতোষিকের সিদ্ধান্ত কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও গ্রামের নিরাপত্তা রক্ষায় গ্রাম পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তৃণমূল পর্যায়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, সম্ভাব্য অস্থিরতা কিংবা নিরাপত্তাঝুঁকি সম্পর্কে গ্রাম পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালনের সুবাদে আগাম তথ্য পেতে পারেন। এসব তথ্য দ্রুত স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হলে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি গ্রাম ও ইউনিয়ন নিরাপদ থাকলে পুরো বাংলাদেশ নিরাপদ থাকবে। তৃণমূল মানুষের মধ্যে শান্তি ও স্বস্তি বজায় থাকলে তার ইতিবাচক প্রভাব জাতীয় পর্যায়েও পড়বে। শহরায়ন বাড়লেও দেশের অধিকাংশ মানুষের শিকড় এখনো গ্রামে। দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির সঙ্গে গ্রামীণ জীবনের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তাই উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে গ্রামের মানুষের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা জরুরি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে রাজনৈতিক ব্যবস্থার পাশাপাশি রাষ্ট্র ও সমাজেও ব্যাপক অবক্ষয় ঘটেছিল। হীনস্বার্থ ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব উসকে দিয়ে দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য নষ্ট করা হয়েছিল। বিভিন্ন স্থানে এমনকি পরিবারে পরিবারেও বিরোধ-বিবাদ ছড়িয়ে পড়ে। তৃণমূল পর্যায়েও প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার পরিবেশ তৈরি হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।