শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
২৩ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

>> জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান রিহ্যাব নেতাদের

>> শেখ মুজিবকে আওয়ামী লীগের একটি অংশ হত্যা করেছিল: ত্রাণমন্ত্রী

>> জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢল

>> গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়াল সরকার, আজ থেকেই কার্যকর

>> বিএনপির শোভাযাত্রা ঘিরে নয়াপল্টনে কঠোর নিরাপত্তা, মোতায়েন ডগ স্কোয়াড

>> ইরানের কেশম দ্বীপে নতুন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প

>> জাতীয়তাবাদের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশ পথ হারাবে না: প্রধানমন্ত্রী

>> ইরানে ‘দখলদার’ হিসেবে থাকার ইঙ্গিত ট্রাম্পের, হরমুজ নিয়ন্ত্রণের দাবিও

>> চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর

আপনি পড়ছেন : রাজনীতি

জাতীয়তাবাদের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশ পথ হারাবে না: প্রধানমন্ত্রী


Sifat Islam Sohag ৭ নভেম্বর ২০২৬, দুপুর ১২:০৯



জাতীয়তাবাদের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশ পথ হারাবে না: প্রধানমন্ত্রী


জাতীয়তাবাদের চেতনায় দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশ আর পথ হারাবে না বলে আশাবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, আর ২০২৪ সালের আন্দোলন ছিল স্বাধীনতা রক্ষার। সময়ের পরিক্রমায় ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পথ নির্ধারণের দিন হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ দিনের নায়ক হিসেবে দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, জিয়াউর রহমান যেভাবে ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন, একইভাবে মুক্তিযুদ্ধের সময়ও তিনি রণাঙ্গনে ভূমিকা রেখেছিলেন।

দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে যেন কেউ জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে। এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্য জরুরি। এ জন্য সিপাহি-জনতার অবদান স্মরণে রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যখনই ষড়যন্ত্র হয়েছে এবং গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়েছে, তখনই ৭ নভেম্বরের চেতনায় দেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সরকারের লক্ষ্য একটি নিরাপদ, মানবিক, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালে দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভূমিকা রেখেছিলেন। তার ভাষায়, দিনটি ছিল শত্রু ও মিত্র চেনার দিন। জাতীয়তাবাদী চেতনায় বিশ্বাসীদের কাছে ৭ নভেম্বর জাতীয় ঐক্য ও চেতনার প্রতীক।

প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, যারা বাংলাদেশকে অন্যের ওপর নির্ভরশীল রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল এবং সশস্ত্র বাহিনীর গৌরব ক্ষুণ্ন করার ষড়যন্ত্র করেছিল, সিপাহি-জনতা তাদের প্রচেষ্টা প্রতিহত করেছিলেন। তবে পরবর্তী সময়েও ষড়যন্ত্র অব্যাহত ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। পিলখানায় সেনা হত্যাকাণ্ড ও ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন সরকারপ্রধান।

এর আগে সকাল ৮টার দিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান তারেক রহমান। পরে দলীয় প্রধান হিসেবে দলের অন্য নেতাদের সঙ্গে নিয়েও তিনি বাবা-মায়ের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।