জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির শোভাযাত্রায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নয়াপল্টনে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এমন চিত্র দেখা যায়। শোভাযাত্রার প্রস্তুতির কারণে কার্যালয়ের সামনের সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।
এলাকাটিতে এসআরবি, পিজিআর, পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), বিভিন্ন সংস্থার সদস্য এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। এ ছাড়া মঞ্চের আশপাশে ডগ স্কোয়াড মোতায়েনসহ নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জানিয়েছেন, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দুপুর দেড়টা থেকে ২টার মধ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। পরে বিকেল ৩টায় তার নেতৃত্বে শোভাযাত্রা বের হওয়ার কথা রয়েছে।
দলীয় পরিকল্পনা অনুযায়ী, শোভাযাত্রাটি নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে দিয়ে কাকরাইল মোড়, হেয়ার রোড, মিন্টো রোড, ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।
এর আগে শুক্রবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে শোভাযাত্রার রুটের বিস্তারিত জানান দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণের প্রস্তুতি থাকায় নিরাপত্তা ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।