মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
৩১ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> পুরো সড়ক বন্ধ করে নির্মাণকাজ, দুর্ভোগে স্থানীয় বাসিন্দারা

>> হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৩৬

>> বেক্সিমকোর শ্রমিকদের জীবনে অনিশ্চয়তা, কেউ চা বিক্রি করছেন, কেউ চালাচ্ছেন অটোরিকশা

>> মহাকাশযুদ্ধের প্রস্তুতি বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রকে চীনের আহ্বান

>> ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড: পদদলিত হয়ে স্বজনদের মৃত্যুর দাবি

>> রাজস্থানে স্থানীয় নির্বাচনে বিজেপির কোনোরকমে ‘মুখরক্ষা’

>> এইডস-যক্ষ্মা-ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে ৪ হাজার ৩৯ কোটি টাকার প্রকল্প

>> চট্টগ্রামে ৬৩ বিদেশি নাগরিক রিমান্ডে

>> ২৮ বছরেও সংযোগ সড়ক হয়নি, অচল বুড়িচংয়ের সেতু

>> পাটের আঁশে লাভের আশা, ভালো ফলনে খুশি সাতক্ষীরার কৃষকেরা

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

রাখাইনে রোহিঙ্গা নিপীড়ন বন্ধে জোরালো বৈশ্বিক ভূমিকার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার


ডেস্ক রিপোর্ট ২৫ আগস্ট ২০২৫, বিকাল ৫:৪৪
 রাখাইনে রোহিঙ্গা নিপীড়ন বন্ধে জোরালো বৈশ্বিক ভূমিকার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
ছবি:সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন রাখাইন থেকে শেষ রোহিঙ্গাটিকে তাড়িয়ে দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করাটা হবে ঐতিহাসিক ভুুল।তিনি বলেন, 'এই চলমান নৃশংসতার বিরুদ্ধে আমাদের এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।'

সোমবার দুপুরে কক্সবাজারে 'হোটেল বে ওয়াচে' আয়োজিত অংশিজন সংলাপে রোহিঙ্গা ইস্যুতে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, রোহিঙ্গা নারী পুরুষরা তাদের মর্মান্তিক গল্প নিয়ে ভীত ও বিধ্বস্ত চোখ নিয়ে আমাদের সীমান্তে এসে দাঁড়ায়।এসব গল্পে রয়েছে পদ্ধতিগত নিপীড়ন,নাগরিকত্ব অস্বীকার,জোড়পূর্বক দেশ ছাড়তে বাধ্য করা,গণহত্যা,ধর্ষণ ইত্যাদি।

এইকারণে ২০১৭ সালে এবং তারও আগে বাংলাদেশ মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের জন্য সীমান্ত খুলে দেয় তাদের জীবন রক্ষার্থে,যদিও আমাদের সম্পদ ও সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা ছিল।

এসময় প্রধান উপদেষ্টা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানান, মিয়ানমারের জান্তা সরকার ও আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধে সম্মিলিত পদক্ষেপ নিতে।

ড. ইউনূস রোহিঙ্গাদের প্রতি অব্যাহত সহযোগিতা,সহমর্মিতা এবং সংহতির জন্য দাতাগোষ্ঠী,সহযোগী সংস্থা,জাতিসংঘের সংস্থা, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও বিশ্বের বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন,'আমরা রোহিঙ্গাদের প্রতি আপনাদের সহযোগিতা,সহানুভূতি ও অব্যাহত অংশীদারিত্বকে গভীরভাবে মূল্য দেই।যতদিন না রোহিঙ্গারা স্বদেশে ফিরে যেতে পারে, আপনাদের এই সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি থাকবে।'

বর্তমানে বাংলাদেশে মিয়ানমার থেকে জোড়পূর্বক বাস্ত্তচ্যুত ১৩ লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছে।পাশাপাশি ক্যাম্পগুলোতে প্রতি বছর প্রায় ৩২ হাজার রোহিঙ্গা শিশু জন্ম নিচ্ছে।ফলে কক্সবাজার হয়ে উঠেছে বিশ্বের বৃহত্তম শরনার্থী শিবির।