বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬
২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন জব্দের দাবি ইরানের

>> জমিতে ছিটানো কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হয়েছিল শিক্ষার্থীরা

>> ফেরেশতাদের সৃষ্টি কেন ও কীভাবে?

>> হাজতখানায় কেক কাটার অভিযোগ অস্বীকার জিয়াউল আহসানের আইনজীবীর, ‘মিডিয়া ট্রায়ালের’ অভিযোগ

>> মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে মাদকসহ দুই পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

>> সুগন্ধি চাল রপ্তানির কোটা ৫০ শতাংশ কমাল সরকার

>> প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন, সীতাকুণ্ডে তিনজন গ্রেপ্তার; উদ্ধার হয়নি ব্যবহৃত অস্ত্র

>> সরকারি অফিসে যাতায়াত কমলেই দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী

>> ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, চিকিৎসককে হত্যার হুমকি

>> জার্মান সরকারের সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশের শাকিল সৈয়দ

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন জব্দের দাবি ইরানের


Rabeya ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১:১৫



হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন জব্দের দাবি ইরানের


হরমুজ প্রণালির প্রবেশপথে একটি মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন আটক করার দাবি করেছে ইরান। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) মঙ্গলবার এ দাবি করে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের এই দাবি চলমান সংঘাতে পানির নিচে চালকবিহীন ড্রোন ব্যবহারের একটি বিরল চিত্র সামনে এনেছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আটক করা ডুবোযানটি ‘ডাইভ-এলডি’ মডেলের একটি মনুষ্যবিহীন সাবমেরিন। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিল এটি তৈরি করেছে।

প্রায় ১৯ ফুট বা ৫ দশমিক ৮ মিটার দীর্ঘ ডাইভ-এলডি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পানির নিচে চলাচল করতে পারে। মাইন শনাক্ত ও অপসারণ, সমুদ্রতলের মানচিত্র তৈরি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং কেবল ও পাইপলাইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো পর্যবেক্ষণের কাজে এটি ব্যবহার করা যায়।

আইআরজিসির নৌ শাখা এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে তারা মার্কিন বাহিনীর একটি অত্যাধুনিক চালকবিহীন সাবমেরিন আটক করেছে। তাদের ভাষ্য, ডুবোযানটিতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, একটি পানির নিচের ড্রোন এক দিনেরও বেশি সময় আগে বিকল হয়ে যায়। সামরিক অভিযানে সহায়তার অংশ হিসেবে এটি আঞ্চলিক জলসীমা পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে জানান তিনি।

পেন্টাগনের ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, বিকল হওয়া ড্রোনটি পুরোনো মডেলের ছিল। এতে কোনো সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা ছিল না এবং গোপনীয় সোনার বা রাডার সরঞ্জামও ছিল না।

ড্রোনটি হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি অ্যান্ডুরিলও নিশ্চিত করেছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ডাইভ-এলডি তুলনামূলক কম খরচে তৈরি একটি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা। ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে ব্যবহারের জন্যই এটি তৈরি করা হয়েছে, যেখানে কোনো কোনো ক্ষেত্রে যান হারানোর ঝুঁকি আগেই বিবেচনায় রাখা হয়।

বর্তমানে মার্কিন সামরিক বাহিনী পানির ওপরে ও নিচে চলাচল করতে সক্ষম বিভিন্ন ধরনের চালকবিহীন নৌযান তৈরিতে বড় ধরনের বিনিয়োগ করছে। এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে নাবিকদের সরাসরি ঝুঁকিতে না ফেলে সমুদ্রের বিস্তীর্ণ অঞ্চল পর্যবেক্ষণ, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং প্রতিপক্ষের নৌযান শনাক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।

অ্যান্ডুরিলের তথ্য অনুযায়ী, ডাইভ-এলডি ঘাঁটিতে ফিরে না গিয়েও সর্বোচ্চ ১০ দিন পর্যন্ত কাজ করতে পারে। এটি সর্বোচ্চ প্রায় ৬ হাজার মিটার গভীরতায় ডুব দেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে তৈরি।

মার্কিন সামরিকবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ডিফেন্সস্কুপের ২০২৪ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, প্রতিটি ডাইভ-এলডি ইউনিটের আনুমানিক মূল্য ২৫ লাখ ডলার।