মঙ্গলবার, আগস্ট ২৫, ২০২৬
১০ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ব্রাজিলের ম্যাচ আয়োজনে সরকারি অর্থ ব্যয়ের পরিকল্পনা নেই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

>> দাম্পত্যের টানাপোড়েন, যৌনতা আর অস্বস্তিকর এক ডিনার পার্টির গল্প

>> যুক্তরাজ্যে হাজারো যৌন অপরাধীকে যৌন আকাঙ্ক্ষা কমানোর ওষুধ দেওয়ার পরিকল্পনা

>> এআই মডেলের অপব্যবহার ঠেকাতে নতুন নিরাপত্তাব্যবস্থা চালু করছে ওপেনএআই

>> প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে গণ–অনশন, আন্দোলনকারীদের পাশে এমপি

>> মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত, নিরাপদ প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে জোর বাংলাদেশের

>> সরকারের গুদামে সার আছে, সংকট বিতরণে

>> ফরিদপুর পৌরসভার উন্নয়নে মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় আয়মান হোসেন অপু

>> ঘুষের বিনিময়ে অবৈধ স্লিপার বাসের নিবন্ধন: বিআরটিএ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, ঝুঁকিতে জননিরাপত্তা

>> ওসি পরিচয়ে ব্যবসায়ীর গাড়ি আটকে আড়াই কোটি টাকার মালামাল ছিনতাইয়ের অভিযোগ বিএনপি নেতা সম্রাটের বিরুদ্ধে

আপনি পড়ছেন : ঢাকা

বিআরটিএতে গোপন অভিযোগ ফাঁসের অভিযোগ, এডি শেখ ইমরানের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি


৫ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৪:০৩



বিআরটিএতে গোপন অভিযোগ ফাঁসের অভিযোগ, এডি শেখ ইমরানের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) প্রধান কার্যালয়ে দাখিল করা একটি গোপন অভিযোগপত্র ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে ঢাকা মেট্রো সার্কেল-১ (মিরপুর)-এর সহকারী পরিচালক (এডি) শেখ ইমরানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগের পাশাপাশি অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও সামনে এসেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে আবদুল্লাহ আল মামুন নামে এক ব্যক্তি বিআরটিএ চেয়ারম্যান এবং অডিট ও প্রশাসন শাখায় পৃথকভাবে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগে শেখ ইমরানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় কার্যক্রম পরিচালনা এবং দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়।

অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ ও জব্দের অনুরোধ জানানো হয়, যাতে অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত করা যায়।

অভিযোগকারীর দাবি, অভিযোগ জমা দেওয়ার পরপরই এর বিষয়বস্তু অভিযুক্ত কর্মকর্তার কাছে পৌঁছে যায়। এতে বিআরটিএর অভ্যন্তরীণ অভিযোগ ব্যবস্থাপনা ও গোপনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ ঘটনায় বিআরটিএ চেয়ারম্যানের দপ্তরের পিএ-২ রেজাউলের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছে, তিনি নথির তথ্য সংশ্লিষ্টদের কাছে সরবরাহ করেছেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কারও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, অভিযোগের পর অনুসন্ধানী সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান ও রাহিমা আক্তার মুক্তাকে শেখ ইমরান হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, শেখ ইমরান দাবি করেছেন—তার বিরুদ্ধে অভিযোগ বা অডিট করেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে না।

এছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, ফিটনেস শাখাকে ঘিরে একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অনিয়ম পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। সেখানে ‘মিস্ত্রি মিরাজ’ নামে এক ব্যক্তির মাধ্যমে অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি জুনিয়র কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত খরচ বহনের জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে।

তবে শেখ ইমরান, রেজাউলসহ অভিযুক্তদের কারও বক্তব্য এ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

অভিযোগকারীরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযোগ ফাঁসের উৎস শনাক্ত, সংশ্লিষ্ট সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ এবং প্রশাসনিক ও অডিট বিভাগের মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।