বুধবার, আগস্ট ৫, ২০২৬
২১ শ্রাবণ ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ৪০০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় মাদারগঞ্জ জামায়াতের সাবেক আমির গ্রেপ্তার

>> ইরানের সঙ্গে সমঝোতা ব্যর্থ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

>> বিআরটিএতে গোপন অভিযোগ ফাঁসের অভিযোগ, এডি শেখ ইমরানের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

>> ঢাকা জজ কোর্টে আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিনের চেম্বারে অতর্কিত তাণ্ডব, চেম্বার বন্ধের হুমকির অভিযোগ

>> জামায়াতের সমঝোতার ধর্ষণ, বিএনপির চাঁদাবাজি, এনসিপির জুলাই এই মিলেই শেষ সাজানো দেশ -এম রহমান

>> ডিবি হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় ১১ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার সুপারিশ

>> পাইপলাইনে মিয়ানমারের গ্যাস: কতটা বাস্তব, কতটা সম্ভাবনা?

>> বরগুনায় লোডশেডিংয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

>> বিদেশে অবস্থান করে আওয়ামী লীগ তৎপরতার চেষ্টা করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

>> ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ মানুষ, বাড়ছে জনদুর্ভোগ

LIVE

বিএনপির নতুন সংযোজন খাম্বা আছে ,তার আছে কিন্তু কারেন্ট নাই -হানিফ খোকন
আপনি পড়ছেন : ঢাকা

বিআরটিএতে গোপন অভিযোগ ফাঁসের অভিযোগ, এডি শেখ ইমরানের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি


৫ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৪:০৩



বিআরটিএতে গোপন অভিযোগ ফাঁসের অভিযোগ, এডি শেখ ইমরানের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) প্রধান কার্যালয়ে দাখিল করা একটি গোপন অভিযোগপত্র ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে ঢাকা মেট্রো সার্কেল-১ (মিরপুর)-এর সহকারী পরিচালক (এডি) শেখ ইমরানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগের পাশাপাশি অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও সামনে এসেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে আবদুল্লাহ আল মামুন নামে এক ব্যক্তি বিআরটিএ চেয়ারম্যান এবং অডিট ও প্রশাসন শাখায় পৃথকভাবে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগে শেখ ইমরানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় কার্যক্রম পরিচালনা এবং দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়।

অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ ও জব্দের অনুরোধ জানানো হয়, যাতে অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত করা যায়।

অভিযোগকারীর দাবি, অভিযোগ জমা দেওয়ার পরপরই এর বিষয়বস্তু অভিযুক্ত কর্মকর্তার কাছে পৌঁছে যায়। এতে বিআরটিএর অভ্যন্তরীণ অভিযোগ ব্যবস্থাপনা ও গোপনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ ঘটনায় বিআরটিএ চেয়ারম্যানের দপ্তরের পিএ-২ রেজাউলের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছে, তিনি নথির তথ্য সংশ্লিষ্টদের কাছে সরবরাহ করেছেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কারও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, অভিযোগের পর অনুসন্ধানী সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান ও রাহিমা আক্তার মুক্তাকে শেখ ইমরান হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, শেখ ইমরান দাবি করেছেন—তার বিরুদ্ধে অভিযোগ বা অডিট করেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে না।

এছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, ফিটনেস শাখাকে ঘিরে একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অনিয়ম পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। সেখানে ‘মিস্ত্রি মিরাজ’ নামে এক ব্যক্তির মাধ্যমে অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি জুনিয়র কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত খরচ বহনের জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে।

তবে শেখ ইমরান, রেজাউলসহ অভিযুক্তদের কারও বক্তব্য এ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

অভিযোগকারীরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযোগ ফাঁসের উৎস শনাক্ত, সংশ্লিষ্ট সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ এবং প্রশাসনিক ও অডিট বিভাগের মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।