বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> সার বিক্রয়কেন্দ্রের তালা ভাঙার চেষ্টা, বিএনপি নেতাকে শোকজ

>> বেশি সার সরবরাহের দাবি, তবু বিভিন্ন এলাকায় সংকটের অভিযোগ

>> বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত, তিন কিশোর আটক

>> সাদা চুল কালো করে ট্রেনে পালানোর চেষ্টা, আখাউড়ায় ধরা পড়লেন আসামি

>> বেশির ভাগ অপরাধের পেছনে মাদক-জুয়া: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

>> বিএনপি নেতার গোয়াল থেকে চুরি হওয়া গরু উদ্ধার, শোকজ

>> কেরানীগঞ্জে সেলুনে যুবককে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা, আটক ২

>> আদালত অবমাননার অভিযোগে দুই আইনজীবীকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ

>> হেলমেট কিনছেন মান যাচাই করে? আমদানির সাড়ে ২৪ শতাংশ নিরাপত্তা পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ

>> গুলশান থানার ওসি প্রত্যাহার

আপনি পড়ছেন : ময়মনসিংহ

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে কাস্টমস কর্মীকে হত্যা, মরদেহ ১৫ টুকরা করে ডোবায় ফেলার অভিযোগ


২৭ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৫:৪১



ঘুমের ওষুধ খাইয়ে কাস্টমস কর্মীকে হত্যা, মরদেহ ১৫ টুকরা করে ডোবায় ফেলার অভিযোগ

 

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় কাস্টমস কর্মী আবু রায়হান তালুকদার (৪০) হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বাড়ির কেয়ারটেকার রাজু মির্জা (১৯) টাকার লোভে পরিকল্পিতভাবে আবু রায়হানকে হত্যা করেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন। তাঁর দাবি, দুধের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাওয়ানোর পর রায়হান অচেতন হয়ে পড়লে তাঁকে লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়।

পরে রাজু তাঁর সহযোগী সোহেল মির্জা ওরফে জিতুলকে (২০) ডেকে আনেন। পুলিশ জানিয়েছে, দুজন মিলে মরদেহটি ১৫ টুকরা করে ব্যাগ ও কাপড়ে মুড়িয়ে বাড়ির কাছের একটি পরিত্যক্ত ডোবার ঝোপে ফেলে দেন।

গত বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহের আদালতে রাজু ও সোহেলের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাতে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত আবু রায়হান ঢাকার কমলাপুরে কাস্টমসের নিরাপত্তা শাখায় সেপাই হিসেবে কর্মরত ছিলেন। রাজু প্রায় চার বছর ধরে তাঁর বাড়ির কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করছিলেন। দীর্ঘদিন পরিবারের সঙ্গে থাকার কারণে রাজু তাঁদের আর্থিক লেনদেন ও মূল্যবান সামগ্রী সম্পর্কে জানতেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের দাবি, হত্যার পর রাজু নিহত ব্যক্তির মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংক কার্ড ব্যবহার করে টাকা উত্তোলন করেন এবং তাঁর ব্যবহৃত একটি আইফোন বিক্রি করেন।

নিখোঁজ হওয়ার নয় দিন পর ২ আগস্ট বাড়ির পেছনের একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে তিনটি ট্রাভেল ব্যাগ ও চাদরে মোড়ানো অবস্থায় আবু রায়হানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর বড় ভাই থানায় হত্যা মামলা করেন।

ময়মনসিংহ পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত রাজু ও সোহেল ছাড়া অন্য কারও সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়নি। আদালতে জবানবন্দি দেওয়ার পর দুজনকেই কারাগারে পাঠানো হয়েছে।