অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এক ব্যবসায়ী তার মালামালবাহী গাড়ি নিয়ে গন্তব্যে যাওয়ার পথে কয়েকজন ব্যক্তি গাড়িটি থামিয়ে দেয়। তারা নিজেদের উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ কর্মকর্তা, এমনকি ওসি পরিচয় দিয়ে গাড়িতে থাকা মালামালের নিয়ন্ত্রণ নেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীর দাবি, গাড়িতে থাকা মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ঘটনার পর তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ করলে বিষয়টি তদন্তে নেয় বিমানবন্দর থানা পুলিশ।
তদন্তের একপর্যায়ে বিএনপি নেতা হিসেবে পরিচিত মাসুদ রানা সম্রাটকে আটক করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কারা জড়িত ছিল এবং ছিনিয়ে নেওয়া মালামাল কোথায় নেওয়া হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
সংশ্লিষ্টদের মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকলে তা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ সত্যতা, জড়িতদের ভূমিকা এবং ঘটনার বিস্তারিত বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
এ বিষয়ে আটক মাসুদ রানা সম্রাটের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের অগ্রগতি ও পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।