বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ‘শেখ হাসিনা ফিরলে পুলিশ কিছুই করতে পারবে না’—অডিও ছড়ানোর পর ওসি প্রত্যাহার

>> শিক্ষক হেনস্তা থেকে জিন্নাহপ্রীতি, ডাকসুর কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন

>> জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

>> হাসান মাহমুদকে পেছনে ফেলে আইসিসির আগস্টের মাসসেরা দিনুশা

>> ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড: বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও ক্ষতিপূরণ দাবি

>> হুতিদের ঠেকাতে মিত্রদের কাছে সামরিক সহায়তা চাইছে সৌদি আরব

>> শত বছরের পশ্চিম বাজার, হাট থেকে রেমিট্যান্সনির্ভর বাণিজ্যকেন্দ্র

>> চুক্তির মাধ্যমে চার বন্ধ পাটকল চালু করল আবুল খায়ের গ্রুপ

>> হ্যাটট্রিকের কথা ভুলে গিয়েছিলেন খালেদ, কেন্টের হয়ে অভিষেকে নিলেন ৮ উইকেট

>> রাশিয়ার তেল কিনলে ভারতেও ১০০% পর্যন্ত শুল্কের ক্ষমতা, ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় বিল

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

প্রকল্পে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টির সুযোগ


Rabeya ২৭ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৫:১৬



প্রকল্পে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টির সুযোগ


আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা স্থানীয় প্রকল্পে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টি ও স্ট্যান্ডবাই লেটার অব ক্রেডিট বা এসবিএলসি দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে দেশের ব্যাংকগুলো। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নতুন নির্দেশনার আওতায় বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্থানীয় ব্যাংকগুলো প্রকল্প কর্তৃপক্ষের জন্য বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টি ও এসবিএলসি ইস্যু করতে পারবে। বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কৌশলগত অংশীদার, স্থানীয় এজেন্ট বা অনুমোদিত প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করা বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো বিড বন্ড, পারফরম্যান্স গ্যারান্টি ও এসবিএলসি দিতে পারবে।

তবে এই সুবিধা ব্যবহারের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত মানতে হবে। মূল চুক্তিতে বৈদেশিক মুদ্রায় গ্যারান্টি বা এসবিএলসি গ্রহণের সুযোগ স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। পাশাপাশি দেশি ও বিদেশি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বৈধ চুক্তি বা বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রমাণ থাকতে হবে।

গ্যারান্টি বা এসবিএলসি থেকে তৈরি সম্ভাব্য ঝুঁকি ও দায়ের বিপরীতে ব্যাংককে পর্যাপ্ত জামানত বা কাউন্টার-সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে হবে। জামানতের পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে ঝুঁকির মাত্রা ও ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্ক বিবেচনায়।

এ ছাড়া গ্যারান্টি কার্যকর হলে বিদেশি প্রতিষ্ঠান কীভাবে অর্থ ফেরত দেবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যয় ও দায় কীভাবে পরিশোধ হবে, তা চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এ ধরনের সুবিধা দেওয়ার সময় ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব ঋণনীতি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও একক গ্রাহক ঋণসীমা মেনে চলতে হবে। প্রয়োজন হলে পরিচালনা পর্ষদ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনও নিতে হবে।