মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬
১২ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ১৪ নেতাকর্মী ৩ দিনের রিমান্ডে

>> বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগ, ২ লাখ কর্মসংস্থানের আশা

>> মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা, জড়িতদের পরিণতি ভোগ করতে হবে: জাহেদ উর রহমান

>> সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করার দাবি জোটের

>> ছাত্রদলের হাত ধরেই রাজনীতির হাতেখড়ি, বললেন আমজনতার তারেক

>> একরামুল হক হত্যা মামলা: শেখ হাসিনাসহ ১১ আসামির অভিযোগ গঠন শুনানি আজ

>> গাজীপুর বিআরটিএতে দুর্নীতির অভিযোগ, অবসরের আগে এডি নুরুল হোসেনকে ঘিরে বিতর্ক

>> বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতা, সব পদ থেকে অব্যাহতি

>> চোরাই সিএনজি বাণিজ্যে বিপুল সম্পদের অভিযোগ, মগবাজারের নান্টুকে ঘিরে নানা প্রশ্ন

>> সরিষাবাড়ীতে গরু চুরিতে বাধা দেওয়ায় কৃষককে কুপিয়ে জখম, আহত আরও একজন

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

প্রকল্পে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টির সুযোগ


Rabeya ২৭ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৫:১৬



প্রকল্পে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টির সুযোগ


আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা স্থানীয় প্রকল্পে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টি ও স্ট্যান্ডবাই লেটার অব ক্রেডিট বা এসবিএলসি দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে দেশের ব্যাংকগুলো। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নতুন নির্দেশনার আওতায় বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্থানীয় ব্যাংকগুলো প্রকল্প কর্তৃপক্ষের জন্য বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টি ও এসবিএলসি ইস্যু করতে পারবে। বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কৌশলগত অংশীদার, স্থানীয় এজেন্ট বা অনুমোদিত প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করা বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো বিড বন্ড, পারফরম্যান্স গ্যারান্টি ও এসবিএলসি দিতে পারবে।

তবে এই সুবিধা ব্যবহারের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত মানতে হবে। মূল চুক্তিতে বৈদেশিক মুদ্রায় গ্যারান্টি বা এসবিএলসি গ্রহণের সুযোগ স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। পাশাপাশি দেশি ও বিদেশি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বৈধ চুক্তি বা বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রমাণ থাকতে হবে।

গ্যারান্টি বা এসবিএলসি থেকে তৈরি সম্ভাব্য ঝুঁকি ও দায়ের বিপরীতে ব্যাংককে পর্যাপ্ত জামানত বা কাউন্টার-সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে হবে। জামানতের পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে ঝুঁকির মাত্রা ও ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্ক বিবেচনায়।

এ ছাড়া গ্যারান্টি কার্যকর হলে বিদেশি প্রতিষ্ঠান কীভাবে অর্থ ফেরত দেবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যয় ও দায় কীভাবে পরিশোধ হবে, তা চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এ ধরনের সুবিধা দেওয়ার সময় ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব ঋণনীতি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও একক গ্রাহক ঋণসীমা মেনে চলতে হবে। প্রয়োজন হলে পরিচালনা পর্ষদ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনও নিতে হবে।