বুধবার, অক্টোবর ৭, ২০২৬
২২ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> বিদ্যালয় থেকে শিশুকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ, ‘মেয়েধরা’ সন্দেহে নারীকে মারধর

>> যন্তর মন্তরের পথে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা, পুলিশের বাধায় আটক বিরোধী নেতারা

>> বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যে জুতা ঝোলানোর অভিযোগে যুবক আটক

>> মেসির বিদায়ী বক্তব্য: ‘আজ আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বিষাদময় দিন’

>> বিক্রি করতে না পেরে রাস্তায় শিশুকে ফেলে পালায় অপহরণকারীরা, ১৮ দিন পর উদ্ধার

>> ওসমানী উদ্যানের অবকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন, প্রতিমন্ত্রী বললেন—‘পৃথিবীর কোথাও এমন দেখিনি’

>> ছেলের পর বাবাও খুন, আতঙ্কে পরিবার—‘মামলা করব না, পুলিশ যা করার করবে’

>> পটুয়াখালীতে বনের গাছ কেটে জমি দখলের অভিযোগ, বন বিভাগের জিডি

>> ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৪২, মুচলেকায় মুক্ত

>> ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

প্রকল্পে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টির সুযোগ


Rabeya ২৭ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৫:১৬



প্রকল্পে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টির সুযোগ


আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা স্থানীয় প্রকল্পে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টি ও স্ট্যান্ডবাই লেটার অব ক্রেডিট বা এসবিএলসি দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে দেশের ব্যাংকগুলো। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নতুন নির্দেশনার আওতায় বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্থানীয় ব্যাংকগুলো প্রকল্প কর্তৃপক্ষের জন্য বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টি ও এসবিএলসি ইস্যু করতে পারবে। বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কৌশলগত অংশীদার, স্থানীয় এজেন্ট বা অনুমোদিত প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করা বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো বিড বন্ড, পারফরম্যান্স গ্যারান্টি ও এসবিএলসি দিতে পারবে।

তবে এই সুবিধা ব্যবহারের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত মানতে হবে। মূল চুক্তিতে বৈদেশিক মুদ্রায় গ্যারান্টি বা এসবিএলসি গ্রহণের সুযোগ স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। পাশাপাশি দেশি ও বিদেশি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বৈধ চুক্তি বা বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রমাণ থাকতে হবে।

গ্যারান্টি বা এসবিএলসি থেকে তৈরি সম্ভাব্য ঝুঁকি ও দায়ের বিপরীতে ব্যাংককে পর্যাপ্ত জামানত বা কাউন্টার-সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে হবে। জামানতের পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে ঝুঁকির মাত্রা ও ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্ক বিবেচনায়।

এ ছাড়া গ্যারান্টি কার্যকর হলে বিদেশি প্রতিষ্ঠান কীভাবে অর্থ ফেরত দেবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যয় ও দায় কীভাবে পরিশোধ হবে, তা চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এ ধরনের সুবিধা দেওয়ার সময় ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব ঋণনীতি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও একক গ্রাহক ঋণসীমা মেনে চলতে হবে। প্রয়োজন হলে পরিচালনা পর্ষদ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনও নিতে হবে।