শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
১১ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> মিরপুরে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় চারজন গ্রেপ্তার

>> ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে চীনই কি বেশি সুবিধা পেল?

>> সুন্দরীর জায়গা দখল করছে কাঁকড়াগাছ, সুন্দরবনে কেন বদলাচ্ছে গাছের বিন্যাস

>> হরমুজ সাত দিনের মধ্যে খুলতে ইরানের প্রস্তাব, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান কী

>> টিকটক ভিডিওর জন্য ১০ টাকায় পুকুরে ঝাঁপ, শিশুর মৃত্যু; দেড় বছর পর আসামি গ্রেপ্তার

>> সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য কাপাসিয়ার ধাঁধার চর ইজারা চান বিএনপির সাবেক নেতা

>> মণিপুরে সন্দেহভাজন উগ্রপন্থীদের গুলিতে চার নাগা নাগরিক নিহত

>> শেখ হাসিনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে বলে আশা যুক্তরাষ্ট্রের

>> নেতানিয়াহুর সঙ্গে তারেক রহমানের করমর্দনের ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি

>> ‘আইনি অনুসন্ধান ছাড়াই বাংলাদেশি তকমা’, চারজনকে সীমান্ত পার করার অভিযোগে মানবাধিকার সংগঠনের উদ্বেগ

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

হরমুজ সাত দিনের মধ্যে খুলতে ইরানের প্রস্তাব, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান কী


২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১:৪৮



হরমুজ সাত দিনের মধ্যে খুলতে ইরানের প্রস্তাব, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান কী


ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হলে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব। নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের তিনি জানান, এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো হয়েছে।

আরাগচির ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল ফিরিয়ে আনার জন্য সাত দিনের একটি রূপরেখা প্রস্তাব করেছে ইরান। কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রস্তাবটি পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

তবে ইরানের প্রস্তাবের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানায়নি। বিবিসিকে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইতিবাচক আলোচনা চলছে। আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়টিও উঠে এসেছে বলে জানান তিনি।

আরাগচি বলেন, চুক্তিতে পৌঁছানো এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র আন্তরিক হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রকে ঠিক কী কী পদক্ষেপ নিতে হবে, তা তিনি বিস্তারিত জানাননি। তাঁর দাবি, প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো আগের সমঝোতা স্মারকেই উল্লেখ করা হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথগুলোর একটি। সংঘাতের কারণে সেখানে নৌ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের ব্যবহৃত মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) উল্লেখযোগ্য একটি অংশ এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হতো।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আগের একটি সমঝোতায় যুদ্ধবিরতি, হরমুজ প্রণালি আংশিকভাবে খুলে দেওয়া, সামরিক অভিযান বন্ধ এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিলসহ বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে পরে দুই পক্ষের মধ্যে আবার সংঘাত শুরু হওয়ায় সেই সমঝোতা কার্যকর থাকেনি।

এদিকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না। অন্যদিকে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শান্তি আলোচনায় গেলেও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণসহ নিজেদের কিছু অধিকার থেকে ইরান সরে আসবে না।

ইরানের প্রস্তাবের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি। ফলে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার উদ্যোগ বাস্তবে কতটা এগোয়, তা নির্ভর করছে চলমান আলোচনার ফলাফলের ওপর।

নোট: আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভাষা ও কাঠামো নতুন করে লেখা হয়েছে, যাতে মূল প্রতিবেদনের বাক্য হুবহু অনুসরণ না করে সংবাদটি ব্যবহারযোগ্য থাকে।