মঙ্গলবার, আগস্ট ২৫, ২০২৬
১০ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ব্রাজিলের ম্যাচ আয়োজনে সরকারি অর্থ ব্যয়ের পরিকল্পনা নেই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

>> দাম্পত্যের টানাপোড়েন, যৌনতা আর অস্বস্তিকর এক ডিনার পার্টির গল্প

>> যুক্তরাজ্যে হাজারো যৌন অপরাধীকে যৌন আকাঙ্ক্ষা কমানোর ওষুধ দেওয়ার পরিকল্পনা

>> এআই মডেলের অপব্যবহার ঠেকাতে নতুন নিরাপত্তাব্যবস্থা চালু করছে ওপেনএআই

>> প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে গণ–অনশন, আন্দোলনকারীদের পাশে এমপি

>> মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত, নিরাপদ প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে জোর বাংলাদেশের

>> সরকারের গুদামে সার আছে, সংকট বিতরণে

>> ফরিদপুর পৌরসভার উন্নয়নে মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় আয়মান হোসেন অপু

>> ঘুষের বিনিময়ে অবৈধ স্লিপার বাসের নিবন্ধন: বিআরটিএ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, ঝুঁকিতে জননিরাপত্তা

>> ওসি পরিচয়ে ব্যবসায়ীর গাড়ি আটকে আড়াই কোটি টাকার মালামাল ছিনতাইয়ের অভিযোগ বিএনপি নেতা সম্রাটের বিরুদ্ধে

আপনি পড়ছেন : চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলী খেলা অনুষ্ঠিত

বাঘা শরীফের বাজিমাত, রাশেদ টেকনিক্যাল আউট

৩০ মিনিট খেলার পর প্রধান রেফারির ঘোষণা

স্টাফ রিপোর্টার ২৫ এপ্রিল ২০২৫, রাত ১২:০০
বাঘা শরীফের বাজিমাত, রাশেদ টেকনিক্যাল আউট
ছবি:সংগৃহীত

চট্টগ্রামে ঐতিহ্যবাহী আব্দুল জব্বারের বলী খেলায় শিরোপা ধরে রেখেছেন কুমিল্লার শরীফ। শুক্রবার বলী খেলার ১১৬তম আসরে অংশ নিয়ে এবারও একই জেলার রাশেদকে হারিয়ে বাজিমাত করেছেন শরীফ। কুমিল্লার হোমনা উপজেলার বাসিন্দা শরীফ স্থানীয়দের কাছে ‘বাঘা শরীফ’ নামে পরিচিত

খেলার ৩০ মিনিটের বেশি সময় পর প্রধান রেফারি হাফিজুর রহমানটেকনিক্যাল আউটঘোষণা করেন রাশেদকে।

গতবছর জব্বারের বলী খেলায় প্রথমবার অংশ নিয়েই তিনি বাজিমাত করেন। রানার্সআপও হন রাশেদ।

বছর প্রথম রাউন্ডে ৮০ জন অংশ নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে প্রথম রাউন্ডের চারজন আগের বছরের শীর্ষ চারজন নিয়ে হয় চ্যালেঞ্জ রাউন্ড।

চ্যালেঞ্জ রাউন্ডে চট্টগ্রামের কাঞ্চনকে হারিয়ে কুমিল্লার কামাল, নিজ জেলা কুমিল্লার দিপুকে হারিয়ে শরীফ, সীতাকুণ্ডের রাসেলকে হারিয়ে ১১৪তম আসরের সেরা কুমিল্লার শাহজালাল রাঙামাটির রুবেলকে হারিয়ে কুমিল্লার রাশেদ সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেন।

সেমিফাইনালে শরীফ নিজ জেলার কামালকে হারিয়ে রাশেদ তার অগ্রজ শাহজালালকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেন।

চট্টগ্রাম শহরের বদর পাতির ব্যবসায়ী আব্দুল জব্বার সওদাগর ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে অঞ্চলের যুবকদের শারীরিকভাবে প্রস্তুত করতে ১৯০৯ সালের ১২ বৈশাখ চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে আয়োজন করেন কুস্তির, যা বলী খেলা নামে পরিচিত।

বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে ১২ বৈশাখ চট্টগ্রাম নগরীর ঐতিহাসিক লালদিঘী মাঠে জব্বারের বলী খেলা হয় প্রতিবছর।

খেলার আগের দিন পরের দিন মিলিয়ে মোট তিন দিন হয় বৈশাখী মেলা।

বলী খেলাকে ঘিরে বৈশাখী মেলার জন্য অপেক্ষায় থাকেন চট্টগ্রামবাসী। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দোকানিরা নানা ধরনের মালামাল নিয়ে আসেন মেলায়।

মাটির তৈরি তৈজসপত্র, খেলনা, ফুলদানি, পুতুল, বেত-কাঠ বাঁশের তৈরি আসবাব, হাতপাখা, মাছ ধরার পলো, বেতের তৈরি ডালা, কুলো, ফলদ বনজ গাছের চারা, ফুল গাছের চারা, মুড়ি মুড়কি, পাটি, মাদুর, চুড়ি, প্রসাধনী সামগ্রী, দা-বটি, ছুরিসহ প্রায় সব পণ্যই পাওয়া যায় মেলায়। মেলা ঘিরে নিয়ে শিশুদেরও আনন্দের কমতি থাকে না।