সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
৬ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ‘আমার মানিক বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে জানি না’

>> সংসদ সদস্য থেকে পুলিশের রিমান্ডে—গাজী নজরুলকে ঘিরে যত ঘটনা

>> জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে জামায়াত–এবি পার্টির, বিক্ষোভের ঘোষণা ৩ দলের

>> এআই নিয়ে মার্কিন অবস্থানে চীনের আপত্তি কেন

>> জাপানে সেনাপ্রধানের উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময়, ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে গুরুত্ব

>> অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন নীতিতে কড়াকড়ি, বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বাস্তবতা

>> অপ্রতিম হত্যার পর আতঙ্কিত অভিভাবকেরা, শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

>> দ্বিতীয় স্ত্রীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় এমপি গাজী নজরুলের শাস্তির দাবিতে শ্যামনগরে বিক্ষোভ

>> নারায়ণগঞ্জে লোকালয়ে কুমির, কীভাবে এল জানেন না কেউ

>> ‘বন্ধুর লাশ নিয়ে হাসপাতালে আছি, সে আর ফোন ধরবে না’

আপনি পড়ছেন : নোয়াখালী

রোগীর গলার সোনার চেইন চুরি, সন্দেহভাজনের পেটে এক্স-রেতে মিলল গয়না


১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:০০



রোগীর গলার সোনার চেইন চুরি, সন্দেহভাজনের পেটে এক্স-রেতে মিলল গয়না


নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে গলার দুটি সোনার চেইন হারিয়েছিলেন এক নারী। পরে চুরির ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক আরেক নারীর এক্স-রে করানোর পর তাঁর পেটের ভেতর গয়নার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। পরে এন্ডোস্কোপির মাধ্যমে সেই চেইন দুটি উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতালের বহির্বিভাগে এ ঘটনা ঘটে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নোয়াখালী সদর উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের বিবি ফাতেমা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার জন্য বহির্বিভাগে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। এ সময় কয়েকজন নারী তাঁকে ঘিরে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন। একপর্যায়ে তাঁর গলা থেকে এক ভরি ওজনের দুটি সোনার চেইন খুলে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

চেইন হারানোর বিষয়টি বুঝতে পেরে ফাতেমা চিৎকার শুরু করলে ওই দলটির কয়েকজন দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। তবে সিনারা বেগম (৫০) নামে এক নারীকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করেন উপস্থিত লোকজন। তিনি নিজের বাড়ি সিলেট জেলায় বলে জানান।

আটকের পর স্থানীয়রা ওই নারী ও তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করেন। কিন্তু কোথাও চেইনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে তাঁর আচরণে সন্দেহ থাকায় গয়না কোথায় গেল, তা জানতে আরও তল্লাশির উদ্যোগ নেওয়া হয়।

পরে সন্দেহভাজন নারীকে হাসপাতালের এক্স-রে বিভাগে নেওয়া হয়। এক্স-রে করার পর চিকিৎসক ও উপস্থিত ব্যক্তিরা পেটের ভেতরে দুটি চেইনের মতো বস্তু দেখতে পান। ধারণা করা হয়, চুরি করা গয়নাগুলো তিনি গিলে ফেলেছিলেন।

এরপর দ্রুত তাঁকে পাশের ইবনে সিনা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক রেজাউল ইসলাম পাটোয়ারীর তত্ত্বাবধানে এন্ডোস্কোপি করা হয়। চিকিৎসা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাঁর পাকস্থলী থেকে দুটি সোনার চেইন বের করে আনা হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে সুধারাম মডেল থানা-পুলিশের একটি দল হাসপাতালে যায় এবং সন্দেহভাজন ওই নারীকে হেফাজতে নেয়।

সুধারাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইদ্রিসুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীকে হেফাজতে নিয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।