বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ৮, ২০২৬
২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ

>> মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

>> ট্রাকচালক হত্যা মামলায় হাসিনাসহ ৩৪ আসামির অভিযোগ গঠন ফের পেছাল

>> হাতকড়া পেছনে রেখে সিঁড়ি দিয়ে আদালতে ওঠানো নিয়ে পলকের আপত্তি

>> সড়কে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে নতুন কমিটি: রিজভী

>> নারায়ণগঞ্জে কারাবন্দি যুবকের ঢামেকে মৃত্যু

>> ভারতে শেখ হাসিনার আইনি মর্যাদা কী, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

>> বিদ্যালয় থেকে শিশুকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ, ‘মেয়েধরা’ সন্দেহে নারীকে মারধর

>> যন্তর মন্তরের পথে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা, পুলিশের বাধায় আটক বিরোধী নেতারা

>> বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যে জুতা ঝোলানোর অভিযোগে যুবক আটক

আপনি পড়ছেন : নোয়াখালী

সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ


Sifat Islam Sohag ৮ অক্টোবর ২০২৬, বিকাল ৫:২০



সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ


নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে ঘুষ ছাড়া কাঙ্ক্ষিত সেবা পাওয়া যাচ্ছে না—এমন অভিযোগ তুলেছেন কয়েকজন সেবাগ্রহীতা। সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হকের নেতৃত্বে একটি চক্র জমি রেজিস্ট্রি, দলিলের নকল উত্তোলন, দানপত্র, বণ্টনপত্র ও চুক্তিপত্রসহ বিভিন্ন কাজে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, এ কার্যালয়ে প্রতি হাজারে গড়ে ৬ টাকা হারে ঘুষ নেওয়া হয়। স্থানীয় দলিল লেখকদের মাধ্যমে এই অর্থ সংগ্রহ করা হয় বলে তাদের দাবি। অভিযোগ অনুযায়ী, অফিসের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে এসব অর্থ ভাগ হয়ে থাকে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, অফিস সহকারী (কেরানি) আলিমুল ইসলাম এসব টাকা সংগ্রহ করেন এবং দিনশেষে কার্যালয়ে বসেই তা ভাগবাটোয়ারা করা হয়।

ভুক্তভোগীদের দাবি, ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিভিন্ন অজুহাতে মাসের পর মাস দলিল খুঁজে দেওয়ার নামে হয়রানি করা হয়। তবে অতিরিক্ত টাকা দিলে দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হয়। কোনো দলিলে জটিলতা থাকলে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত আলাদা করে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, সরকারি নির্ধারিত ফি ও কর পরিশোধের পরও বিভিন্ন অজুহাতে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। এর মধ্যে ফটোকপি করা কাগজপত্র থাকলে ১০ হাজার টাকা, একই দাতার একাধিক বা হেবা দলিলের ক্ষেত্রে ৩ হাজার টাকা, আয়কর বা টিন সনদ না থাকা কিংবা পর্চায় বাবা-মায়ের নাম উল্লেখ থাকলে ৫ হাজার টাকা এবং দাদা-দাদি বা নানা-নানির নামে পর্চা থাকলে ১০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া নামের পাশে ডাকনাম, বণ্টননামা কিংবা বায়না দলিল থাকলেও ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন সেবাগ্রহীতারা।

অভিযোগ রয়েছে, পে-অর্ডার ও অতিরিক্ত অর্থ লেনদেনের বিষয়টি নিশ্চিত করে সংকেত দেন অফিস সহকারী জাকির হোসেন ও কেরানি আলিমুল ইসলাম। এরপরই সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হক দলিলে স্বাক্ষর করেন বলে অভিযোগ।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সিরাজুল হক আগে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে কর্মরত ছিলেন। পরে প্রভাব খাটিয়ে নিজ জেলায় পোস্টিং নিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে বক্তব্য জানতে সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হকের কার্যালয়ে সরাসরি গিয়ে এবং মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে এসব অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।