শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ‘শেখ হাসিনা ফিরলে পুলিশ কিছুই করতে পারবে না’—অডিও ছড়ানোর পর ওসি প্রত্যাহার

>> শিক্ষক হেনস্তা থেকে জিন্নাহপ্রীতি, ডাকসুর কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন

>> জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

>> হাসান মাহমুদকে পেছনে ফেলে আইসিসির আগস্টের মাসসেরা দিনুশা

>> ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড: বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও ক্ষতিপূরণ দাবি

>> হুতিদের ঠেকাতে মিত্রদের কাছে সামরিক সহায়তা চাইছে সৌদি আরব

>> শত বছরের পশ্চিম বাজার, হাট থেকে রেমিট্যান্সনির্ভর বাণিজ্যকেন্দ্র

>> চুক্তির মাধ্যমে চার বন্ধ পাটকল চালু করল আবুল খায়ের গ্রুপ

>> হ্যাটট্রিকের কথা ভুলে গিয়েছিলেন খালেদ, কেন্টের হয়ে অভিষেকে নিলেন ৮ উইকেট

>> রাশিয়ার তেল কিনলে ভারতেও ১০০% পর্যন্ত শুল্কের ক্ষমতা, ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় বিল

আপনি পড়ছেন : ঢাকা

পুরো দেশটাকেই যদি গোলাপি করা যেত


Rabeya ২৯ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:৩১



পুরো দেশটাকেই যদি গোলাপি করা যেত


নারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে আবারও চালু হয়েছে মহিলা বাস সার্ভিস। তিন জেলার ১৩টি পথে ১৪টি বাস নিয়ে শুরু হওয়া এই সেবাকে পিংক বাস সার্ভিসও বলা হচ্ছে। ভবিষ্যতে বাসের সংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে সরকার।

তবে নারীর নিরাপত্তা শুধু বাসের ভেতরের পরিবেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করা, বাসে ওঠা, যাত্রাপথ এবং গন্তব্যে পৌঁছানো—পুরো যাত্রাটিই নিরাপদ হওয়া জরুরি। তাই শুধু নারীদের জন্য আলাদা বাস চালু করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

নারীদের জন্য পৃথক বাস চালুর উদ্যোগ অবশ্যই স্বস্তিদায়ক হতে পারে। কিন্তু গণপরিবহনে হয়রানির মূল কারণগুলো দূর না করে শুধু নারী যাত্রীদের আলাদা করে রাখলে দীর্ঘমেয়াদে সমস্যার সমাধান নাও হতে পারে। বরং নারীকে নিরাপদ রাখতে প্রয়োজন নিরাপদ বাসস্ট্যান্ড, পর্যাপ্ত আলো, নিরাপদ ওঠানামার ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত নারী আসন, চালক ও সহকারীদের প্রশিক্ষণ এবং কার্যকর নজরদারি।

এর পাশাপাশি গণপরিবহনে হয়রানির অভিযোগ দ্রুত জানানোর জন্য সহজ ও কার্যকর ব্যবস্থা থাকা দরকার। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা এবং জবাবদিহিও বাড়াতে হবে।

নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব শুধু নারীদের আলাদা করে রাখার মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব নয়। নারী ও পুরুষ—সবার জন্য নিরাপদ গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলাই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।

সব বাস গোলাপি করে দিলেই যেমন হয়রানি বন্ধ হবে না, তেমনি পুরো দেশকে গোলাপি রঙে রাঙালেও সমস্যার সমাধান হবে না। প্রয়োজন মানুষের চিন্তা, আচরণ ও মানসিকতার পরিবর্তন। নারী যেন আলাদা কোনো ‘খাঁচায়’ নয়, বরং সবার সঙ্গে সমান মর্যাদা ও নিরাপত্তায় চলাচল করতে পারেন—এমন পরিবেশই তৈরি করতে হবে।