হ্যাটট্রিকের খুব কাছাকাছি গিয়েও শেষ পর্যন্ত তা পাওয়া হয়নি বাংলাদেশের পেসার খালেদ আহমেদের। তবে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে কেন্টের হয়ে ঘরের মাঠে অভিষেকেই ৮ উইকেট নিয়ে নজর কেড়েছেন তিনি।
কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ডিভিশন টুতে ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে ম্যাচের প্রথম ইনিংসের শেষ দুই বলে পরপর দুই উইকেট নেন খালেদ। ফলে দ্বিতীয় ইনিংসের প্রথম বলেই আরেকটি উইকেট পেলেই হ্যাটট্রিক পূর্ণ হতো। কিন্তু সেই বলে উইকেট না পেলেও পরের বলেই সাফল্য পান তিনি।
মজার বিষয়, হ্যাটট্রিকের সুযোগের কথা নিজেই ভুলে গিয়েছিলেন খালেদ। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে তিনি জানান, অন্য একজন তাঁকে মনে করিয়ে দেন যে তিনি হ্যাটট্রিকের সুযোগটি মিস করেছেন।
খালেদ বলেন, তিনি অবশ্যই হ্যাটট্রিক করতে চেয়েছিলেন। তবে ম্যাচে তাঁর সামগ্রিক পারফরম্যান্স নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট। সতীর্থদের কাছ থেকে নিজের বোলিংয়ের প্রশংসা পেয়ে খুশি বলেও জানান এই পেসার।
ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে কেন্টের হয়ে ঘরের মাঠে এটিই ছিল খালেদের প্রথম ম্যাচ। সেই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে পাঁচটি এবং দ্বিতীয় ইনিংসে তিনটি—মোট আটটি উইকেট নিয়েছেন তিনি।
কেন্টের আগের ম্যাচে খালেদের সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশের আরেক পেসার হাসান মাহমুদ। দলের বোলিং আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা হাসান ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কারণে কাউন্টি সফর শেষ করে দেশে ফিরে গেছেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে খালেদের ওপর বাড়তি দায়িত্ব পড়ে।
নিজের বোলিং পরিকল্পনা সম্পর্কে খালেদ জানান, শুরু থেকেই সঠিক জায়গায় বল করার দিকে মনোযোগ ছিল তাঁর। প্রথম স্পেলে গতি কিছুটা কম থাকলেও লাঞ্চের পর তা বাড়ে। সতীর্থের সঙ্গে জুটি বেঁধে বোলিং করার পর একের পর এক উইকেট পাওয়ার কথাও জানান তিনি।
হাসান মাহমুদকে মিস করছেন বলেও জানান খালেদ। তবে হাসান তাঁকে একটি ভিডিও বার্তা পাঠিয়ে শুভকামনা জানিয়েছেন।
ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ল্যাঙ্কাশায়ার ১৬১ রানে অলআউট হয়। জবাবে কেন্ট ৬৩ রানের লিড নেয়। দ্বিতীয় ইনিংসে ল্যাঙ্কাশায়ার ১৯২ রানে গুটিয়ে গেলে কেন্টের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৪০ রান।
দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে কেন্টের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৮৪ রান। তৃতীয় দিনে জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন আরও ৫৬ রান, হাতে রয়েছে ৮ উইকেট।