মঙ্গলবার, অক্টোবর ৬, ২০২৬
২১ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ওসমানী উদ্যানের অবকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন, প্রতিমন্ত্রী বললেন—‘পৃথিবীর কোথাও এমন দেখিনি’

>> ছেলের পর বাবাও খুন, আতঙ্কে পরিবার—‘মামলা করব না, পুলিশ যা করার করবে’

>> পটুয়াখালীতে বনের গাছ কেটে জমি দখলের অভিযোগ, বন বিভাগের জিডি

>> ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৪২, মুচলেকায় মুক্ত

>> ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের

>> ফেসবুক পোস্টের জন্য মৃত্যুদণ্ড, ছেলেকে ক্ষমার আবেদন মায়ের

>> আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলন অসম্ভব নয়

>> কমিশন বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ: বিআরটিসির ডিজিএম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুদকে আবেদন

>> বায়ুদূষণে শীর্ষে ঢাকা, ৯ এলাকায় বাতাস খুবই অস্বাস্থ্যকর

>> ‘মক্কা চুক্তি’ কার্যকর, সৌদি আরবে সেনা মোতায়েনে সম্মত তুরস্ক ও পাকিস্তান

আপনি পড়ছেন : অর্থনীতি

প্রতারণার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিদিশা কারাগারে


২৬ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৫:২২



প্রতারণার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিদিশা কারাগারে


প্রতারণার মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদ তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্তোরাঁ থেকে বিদিশাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার সকালে তাঁকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। পরে বিকেলে মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

শুনানিতে বিদিশার আইনজীবী আতিকুর রহমান জামিন আবেদন করে বলেন, তাঁর মক্কেল মামলাটি সম্পর্কে জানতেন না এবং তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করছেন। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের দেখাশোনার বিষয়টিও জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষ ও বাদীপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ২০ মে ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় বিদিশাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়; অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত না থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।

মামলাটি ২০০৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেন করেন। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০১ সালে রাজধানীর বারিধারার একটি ফ্ল্যাট কেনার উদ্দেশ্যে বিদিশার সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। পরে ৮০ লাখ টাকায় ফ্ল্যাট বিক্রির বিষয়ে চুক্তি হয়।

অভিযোগে বলা হয়, চুক্তির পর বাদী ৭৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার দেন। পরবর্তী সময়ে ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও তা দেওয়া হয়নি বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

পরে টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দেওয়া হলেও ব্যাংক হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেকটি ডিজঅনার হয়। এরপর টাকা বা ফ্ল্যাট কোনোটিই না পাওয়ায় বাদী মামলা করেন।

বিদিশার আইনজীবী জানিয়েছেন, দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।