বুধবার, আগস্ট ২৬, ২০২৬
১১ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> জলাবদ্ধতা নিরসনে পানিতে নেমে খালের কচুরিপানা পরিষ্কার করলেন এমপি

>> ইনফান্তিনোর পাশে ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কাফু, জানালেন সমর্থনের কারণ

>> প্রতারণার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিদিশা কারাগারে

>> সংসদের তৃতীয় অধিবেশন বসছে কাল, নানা বিষয়ে বিতর্কের আভাস

>> বাংলাদেশকে গুঁড়িয়ে প্রথমবার টেস্টে ‘নাম্বার ওয়ান’ স্টার্ক

>> দীপু মনির ভাইয়ের ‘টিপুনগরের’ ঘের থেকে পুলিশের মাছ বিক্রি, তদন্ত কমিটি

>> ‘সরকার ব্যর্থ হয়েছে’—বিরোধী দলের ঢালাও মন্তব্য: রুহুল কবির রিজভী

>> মহানবী (সা.)-এর শুভাগমন ও ওফাত

>> ঠাকুরগাঁওয়ে পিকআপ, মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ২

>> বিমানে হঠাৎ অসুস্থ নারী যাত্রী, জরুরি অবতরণের পর মৃত ঘোষণা

আপনি পড়ছেন : অর্থনীতি

প্রতারণার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিদিশা কারাগারে


২৬ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৫:২২



প্রতারণার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিদিশা কারাগারে


প্রতারণার মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদ তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্তোরাঁ থেকে বিদিশাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার সকালে তাঁকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। পরে বিকেলে মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

শুনানিতে বিদিশার আইনজীবী আতিকুর রহমান জামিন আবেদন করে বলেন, তাঁর মক্কেল মামলাটি সম্পর্কে জানতেন না এবং তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করছেন। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের দেখাশোনার বিষয়টিও জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষ ও বাদীপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ২০ মে ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় বিদিশাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়; অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত না থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।

মামলাটি ২০০৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেন করেন। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০১ সালে রাজধানীর বারিধারার একটি ফ্ল্যাট কেনার উদ্দেশ্যে বিদিশার সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। পরে ৮০ লাখ টাকায় ফ্ল্যাট বিক্রির বিষয়ে চুক্তি হয়।

অভিযোগে বলা হয়, চুক্তির পর বাদী ৭৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার দেন। পরবর্তী সময়ে ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও তা দেওয়া হয়নি বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

পরে টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দেওয়া হলেও ব্যাংক হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেকটি ডিজঅনার হয়। এরপর টাকা বা ফ্ল্যাট কোনোটিই না পাওয়ায় বাদী মামলা করেন।

বিদিশার আইনজীবী জানিয়েছেন, দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।