শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬
২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪-এ ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ, দালালদের মাধ্যমে দ্রুত সেবা পাওয়ার দাবি

>> ‘জামায়াতের সেক্রেটারির ৭০০ অটোরিকশা’—ডিএনসিসি প্রশাসকের কাছে প্রমাণ চাইল জামায়াত

>> চাঁদা না দেওয়ায় লেগুনা মালিককে মারধরের অভিযোগ, উল্টো চাঁদাবাজ সাজিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি

>> সীতাকুণ্ডে বিদ্যালয়ের পেছনে মিলল হাত-পা বাঁধা নারীর মরদেহ

>> চট্টগ্রাম কাস্টমসে এসি ওমর ফারুক ও আরও সুমন কান্তি বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও হয়রানির অভিযোগ

>> নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ, মাহবুব-উসমান-হেমায়েতকে ঘিরে প্রশ্ন

>> ঘুষ ছাড়া মেলে না সেবা, নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ

>> সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ

>> মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

>> ট্রাকচালক হত্যা মামলায় হাসিনাসহ ৩৪ আসামির অভিযোগ গঠন ফের পেছাল

আপনি পড়ছেন : এক্সক্লুসিভ

গোপালগঞ্জ বিআরটিএ কার্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগ, অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের দাবি সেবাগ্রহীতাদের


Sheikh Mojahidur Rahman ৩০ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৫:১৪
গোপালগঞ্জ বিআরটিএ কার্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগ, অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের দাবি সেবাগ্রহীতাদের

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) গোপালগঞ্জ সার্কেল কার্যালয়ে সেবা নিতে গিয়ে নানা ধরনের হয়রানি ও অনিয়মের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন সেবাগ্রহীতা। বিশেষ করে ড্রাইভিং লাইসেন্স, যানবাহনের ফিটনেস এবং রুটপারমিট সংক্রান্ত কাজে সরকারি নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগের তীর গোপালগঞ্জ বিআরটিএ সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. হাবিবুর রহমানের দিকেও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিআরটিএ কার্যালয়ে সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে একটি দালালচক্রের সক্রিয়তা রয়েছে। নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করা, লাইসেন্স নবায়ন, গাড়ির ফিটনেস সনদ নেওয়া কিংবা রুটপারমিটের মতো কাজে নির্ধারিত প্রক্রিয়ার বাইরে অতিরিক্ত অর্থ না দিলে ফাইল আটকে রাখা বা বিভিন্ন অজুহাতে সেবাপ্রার্থীদের ঘুরানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

একজন গাড়িচালকের অভিযোগ, ফিটনেস পরীক্ষার সময় গাড়িতে বিভিন্ন ত্রুটি দেখিয়ে তাকে একাধিকবার কার্যালয়ে আসতে বলা হয়েছে। তার দাবি, অতিরিক্ত অর্থ দেওয়ার পর একই ধরনের প্রক্রিয়া সহজেই সম্পন্ন করার সুযোগ পাওয়া যায়। তবে ওই অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত অর্থ লেনদেনের অভিযোগ করেছেন কয়েকজন সেবাগ্রহীতা। একইভাবে রুটপারমিটের আবেদন ও অনুমোদনের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা এবং অযথা হয়রানির অভিযোগ করেছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সরকারি সেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে বিআরটিএ কার্যালয়ে দালালচক্রের কার্যক্রম বন্ধ এবং নির্ধারিত সরকারি ফি ও সেবার তথ্য প্রকাশ্যে রাখার দাবিও জানিয়েছেন তারা।

অভিযোগের বিষয়ে সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. হাবিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।