বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
১৩ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ১৪ নেতাকর্মী ৩ দিনের রিমান্ডে

>> বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগ, ২ লাখ কর্মসংস্থানের আশা

>> মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা, জড়িতদের পরিণতি ভোগ করতে হবে: জাহেদ উর রহমান

>> সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করার দাবি জোটের

>> ছাত্রদলের হাত ধরেই রাজনীতির হাতেখড়ি, বললেন আমজনতার তারেক

>> একরামুল হক হত্যা মামলা: শেখ হাসিনাসহ ১১ আসামির অভিযোগ গঠন শুনানি আজ

>> গাজীপুর বিআরটিএতে দুর্নীতির অভিযোগ, অবসরের আগে এডি নুরুল হোসেনকে ঘিরে বিতর্ক

>> বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতা, সব পদ থেকে অব্যাহতি

>> চোরাই সিএনজি বাণিজ্যে বিপুল সম্পদের অভিযোগ, মগবাজারের নান্টুকে ঘিরে নানা প্রশ্ন

>> সরিষাবাড়ীতে গরু চুরিতে বাধা দেওয়ায় কৃষককে কুপিয়ে জখম, আহত আরও একজন

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

এক দিনে ১৫ দুর্নীতি মামলা থেকে খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস


Rabeya ২৭ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৪:১০



এক দিনে ১৫ দুর্নীতি মামলা থেকে খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস


দরপত্রে অনিয়মের মাধ্যমে ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রিতে দুর্নীতির অভিযোগে করা ১৫টি মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান এ রায় ঘোষণা করেন। একই রায়ে মামলাগুলোর অন্য আসামিদেরও খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, রাজধানীর গুলশান, ধানমন্ডি ও শান্তিনগরে থাকা ১৮টি পরিত্যক্ত সরকারি বাড়ি বিক্রির সময় দরপত্রে অনিয়ম ও কারচুপির মাধ্যমে পছন্দের ব্যক্তিদের বাড়িগুলো দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এতে সরকারের প্রায় ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০০৭ সালের ২৯ মার্চ এ ঘটনায় ১৫টি মামলা দায়ের করে দুদক। তদন্ত শেষে একই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

দুদকের অভিযোগ ছিল, তৎকালীন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী মির্জা আব্বাস ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রভাব খাটিয়ে সরকারি বাড়িগুলো বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিলেন। রাজউকের মাধ্যমে তুলনামূলক কম মূল্যের দরপত্র গ্রহণ করে বাড়িগুলো বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলেও মামলায় অভিযোগ করা হয়।

মামলাগুলোতে মির্জা আব্বাসসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের আসামি করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও ব্যবসায়ী আহমেদ আকবর সোবহানও ছিলেন।

বিচার চলাকালে আদালত ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার আদালত মির্জা আব্বাসসহ সব আসামিকে খালাস দেওয়ার রায় দেন।

মির্জা আব্বাসের আইনজীবী শাহীনুর ইসলাম বলেন, রাজনৈতিকভাবে হয়রানি ও ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে এসব মামলা করা হয়েছিল। আদালতের রায়ে মির্জা আব্বাসসহ অন্য আসামিরা খালাস পেয়েছেন।