মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
৩১ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> চট্টগ্রামে ৬৩ বিদেশি নাগরিক রিমান্ডে

>> ২৮ বছরেও সংযোগ সড়ক হয়নি, অচল বুড়িচংয়ের সেতু

>> পাটের আঁশে লাভের আশা, ভালো ফলনে খুশি সাতক্ষীরার কৃষকেরা

>> রোগী পৌঁছে দিয়ে ফেরার পথে স্পিডবোট-বাল্কহেড সংঘর্ষ, নিহত ২

>> ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন: পাঁচ সিঁড়ির চারটিই ছিল তালাবদ্ধ

>> লালমাটিয়ায় সাবেক এমপি আজিজুল হক আটক, পুলিশের হাতে তুলে দিল ছাত্রদল

>> ইমরানের পাশে দাঁড়িয়ে মাইকেল হোল্ডিং: ‘কেউ মানুষের সঙ্গে এমন আচরণ করে না’

>> মন্দ ধারণার সুযোগ না দেওয়ার শিক্ষা নবীজির জীবন থেকে

>> জেনডায়া–টম হল্যান্ডের বিয়ে হয়েছে কি না, জানালেন স্টাইলিস্ট

>> যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের যে সতর্কতা হার্ভার্ডের

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

ত্রয়োদশ নির্বাচন ও গণভোট ১২ ফেব্রুয়ারি


ডেস্ক রিপোর্ট ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, সন্ধ্যা ৬:১০
ত্রয়োদশ নির্বাচন ও গণভোট ১২ ফেব্রুয়ারি
ছবি:সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬ টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে এ ভাষণ সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ১৬ মাসের মাথায় জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করল ইসি।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, এ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত, তা বাছাই হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি। আপিলের শেষ তারিখ ১১ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি। তার তিন সপ্তাহ পর হবে ভোটগ্রহণ।

চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি। ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রচার শেষ করতে হয়। অর্থাৎ ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাতটা পর্যন্ত ভোটের প্রচার চালানোর সুযোগ থাকবে।

১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভোট চলবে।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের ২১ নভেম্বর এ এম এম নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। আগামী নির্বাচনই হবে এই কমিশনের অধীনে প্রথম কোনো নির্বাচন। এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে হচ্ছে। দুটি ভোটের সময় ব্যবস্থাপনাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে ইসি।

সময় ব্যবস্থাপনার জন্য এবার ভোট গ্রহণের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সংস্থাটি। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে। এ ছাড়া ভোটকেন্দ্রে গোপন কক্ষের সংখ্যাও বাড়ানো হবে।

নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখাকেও চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সরকার জানিয়েছে, তফসিল ঘোষণার পর সশস্ত্র বাহিনীসহ দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সব বাহিনী নির্বাচনী পরিবেশ যাতে নিশ্চিত হয়, সে লক্ষ্যে কাজ করবে। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন, যা এযাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে রেকর্ডসংখ্যক দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।