বুধবার, আগস্ট ৫, ২০২৬
২১ শ্রাবণ ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ঢাকা জজ কোর্টে আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিনের চেম্বারে অতর্কিত তাণ্ডব, চেম্বার বন্ধের হুমকির অভিযোগ

>> জামায়াতের সমঝোতার ধর্ষণ, বিএনপির চাঁদাবাজি, এনসিপির জুলাই এই মিলেই শেষ সাজানো দেশ -এম রহমান

>> ডিবি হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় ১১ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার সুপারিশ

>> পাইপলাইনে মিয়ানমারের গ্যাস: কতটা বাস্তব, কতটা সম্ভাবনা?

>> বরগুনায় লোডশেডিংয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

>> বিদেশে অবস্থান করে আওয়ামী লীগ তৎপরতার চেষ্টা করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

>> ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ মানুষ, বাড়ছে জনদুর্ভোগ

>> অস্ট্রেলিয়ায় শুধু লড়াই নয়, জয়ের লক্ষ্য নিয়েই যাচ্ছে বাংলাদেশ: প্রধান নির্বাচক

>> বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের প্রত্যাশা আজও পূরণ হলো না

>> গ্যাস নেই, চুলা জ্বলে না—ভোগান্তির আগুনে পুড়ছে সাধারণ মানুষ

LIVE

জামায়াতের সমঝোতার ধর্ষণ, বিএনপির চাঁদাবাজি, এনসিপির জুলাই এই মিলেই শেষ সাজানো দেশ —এম রহমান
আপনি পড়ছেন : জাতীয়

অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে সচিবালয়ে বিক্ষোভ


Desk Report ২৬ মে ২০২৫, দুপুর ১২:৩৩
অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে সচিবালয়ে বিক্ষোভ
ছবি:সংগৃহীত

‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে সচিবালয়ে বিক্ষোভ শুরু করেছেন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিক্ষোভে অংশ নিতে কাজ রেখে নিচে নেমে এসেছেন।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি মো. বাদিউল কবীর ও মহাসচিব নিজাম উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়।

এরপর বেলা সোয়া ১১টার দিকে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের অন্য অংশ। এই অংশের নেতৃত্বে রয়েছেন মো. নূরুল ইসলাম এবং মুজাহিদুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ (সংশোধন) ২০২৫ জারি করেছে সরকার।রবিবার সন্ধ্যায় অধ্যাদেশটি জারি করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এতে চার অপরাধের জন্য চাকরিচ্যুতির বিধান রাখা হয়েছে। অধ্যাদেশটির পুরো নাম হবে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, ‘সরকারি কোনও কর্মচারী যদি এমন কোনও কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হন, যার কারণে অন্য যেকোনও সরকারি কর্মচারীর মধ্যে অনানুগত্য সৃষ্টি করে বা শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে বা কর্তব্য সম্পাদনে বাধার সৃষ্টি করে, অন্যান্য কর্মচারীদের সঙ্গে সমবেতভাবে বা এককভাবে, ছুটি ছাড়া বা কোনও যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া নিজ কর্মে অনুপস্থিত থাকেন বা বিরত থাকেন বা কর্তব্য সম্পাদনে ব্যর্থ হন, অন্য যেকোনও কর্মচারীকে তার কর্ম থেকে অনুপস্থিত থাকতে বা বিরত থাকতে বা তার কর্তব্য পালন না করার জন্য উসকানি দেন বা প্ররোচিত করেন, যেকোনও সরকারি কর্মচারীকে তার কর্মে উপস্থিত হতে বা কর্তব্য সম্পাদনে বাধাগ্রস্ত করেন– তাহলে তিনি অসদাচরণের দায়ে দণ্ডিত হবেন।’

দোষী কর্মচারীকে নিম্নপদ বা নিম্নবেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ বা চাকরি থেকে অপসারণ বা চাকরি থেকে বরখাস্ত দণ্ড দেওয়া যাবে বলে অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে ২২ মে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অধ্যাদেশটির খসড়া অনুমোদনের পর থেকেই সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আইনটি প্রত্যাহারের দাবিতে সচিবালয়ে বিক্ষোভ করে আসছিলেন।