মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
৩১ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> পুরো সড়ক বন্ধ করে নির্মাণকাজ, দুর্ভোগে স্থানীয় বাসিন্দারা

>> হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৩৬

>> বেক্সিমকোর শ্রমিকদের জীবনে অনিশ্চয়তা, কেউ চা বিক্রি করছেন, কেউ চালাচ্ছেন অটোরিকশা

>> মহাকাশযুদ্ধের প্রস্তুতি বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রকে চীনের আহ্বান

>> ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড: পদদলিত হয়ে স্বজনদের মৃত্যুর দাবি

>> রাজস্থানে স্থানীয় নির্বাচনে বিজেপির কোনোরকমে ‘মুখরক্ষা’

>> এইডস-যক্ষ্মা-ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে ৪ হাজার ৩৯ কোটি টাকার প্রকল্প

>> চট্টগ্রামে ৬৩ বিদেশি নাগরিক রিমান্ডে

>> ২৮ বছরেও সংযোগ সড়ক হয়নি, অচল বুড়িচংয়ের সেতু

>> পাটের আঁশে লাভের আশা, ভালো ফলনে খুশি সাতক্ষীরার কৃষকেরা

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদের প্রস্তাবের সঙ্গে একমত বলে জানিয়েছে জামায়াত।

সংসদের মেয়াদ ৫ বছরের পক্ষে জামায়াত


স্টাফ রিপোর্টার
সংসদের মেয়াদ ৫ বছরের পক্ষে জামায়াত
ছবি:সংগৃহীত

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের জাতীয় সংসদ ও রাষ্ট্রপতির মেয়াদ চার বছর করার প্রস্তাবে দ্বিমত পোষণ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি চায়, এই মেয়াদ পাঁচ বছরই থাকুক। তবে দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদের প্রস্তাবের সঙ্গে একমত বলে জানিয়েছে জামায়াত। 

শনিবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী বৈঠকের মধ্যবর্তী অংশ শেষে এ কথা জানান দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দারের সঞ্চালনায় বৈঠকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষে এ মতবিনিময় সভায় উপস্থিত রয়েছেন- কমিশন সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, কমিশনের সদস্য সফর রাজ হোসেন, বিচারপতি এমদাদুল হক, ড. বদিউল আলম মজুমদার ও ড. ইফতেখারুজ্জামান।

ডা. তাহের বলেন, সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব ছিল সংসদ ও রাষ্ট্রপতির মেয়াদ চার বছর হবে। আমরা এর সঙ্গে দ্বিমত জানিয়েছি। আমরা বলেছি, সংসদ ও রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর থাকবে।

তিনি বলেন, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। তবে এটার ফরমেশন, ন্যাচার, প্রসেস সম্পর্কে আমরা আলোচনা করছি।

জামায়াতের এ সিনিয়র নায়েবে আমির বলেন, জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মতবিনিময় চলছে। পাঁচটি কমিশনের রিপোর্ট দেওয়া হয়েছিল। আমরা আলোচনা শুরু করেছি সংবিধান সংস্কারের ওপরে দেওয়া প্রস্তাবনা দিয়ে। আলোচনা বেশ ফলপ্রসু হচ্ছে বলে আমরা মনে করছি। অনেক বিষয়ে আমাদের ভেতরে মতবিনিময় হয়েছে, নানা বিষয়ে ব্যাখ্যা হয়েছে। কিছু কিছু বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি।

সভায় জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে রয়েছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, ড. হামিদুর রহমান আযাদ, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ।

আলোচনা আজ শেষ নাও হতে পারে জানিয়ে ডা. তাহের বলেন, কারণ বিষয়গুলো জাতীয় স্বার্থের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বড় অংশীদার হিসেবে জামায়াতে ইসলামী অত্যন্ত গুরুত্ব ও মনোযোগের সঙ্গে সমস্ত সংস্কারকে বিবেচনা করছে। যেটা দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণকর আমরা সেই ব্যাপারে মত দিচ্ছি, একমত হচ্ছি। এখানে ব্যক্তি বা দল আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। বাংলাদেশ, বাংলাদেশের মানুষ, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এবং সমৃদ্ধ শান্তিময় বাংলাদেশ আমাদের লক্ষ্য।