যশ অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘টক্সিক: আ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’ মুক্তির আগেই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। তবে ছবির প্রচারণায় নারী চরিত্রের উপস্থাপন নিয়ে সমালোচনাও শুরু হয়েছে। কেউ কেউ সিনেমাটিকে ‘নারীবিদ্বেষী’ বলে প্রশ্ন তুলেছেন। এবার সেই বিতর্কের জবাব দিয়েছেন অভিনেতা যশ।
সম্প্রতি হায়দরাবাদে সিনেমাটির প্রাক্-মুক্তি অনুষ্ঠানে যশ বলেন, শুধু টিজার বা ট্রেলার দেখে সিনেমা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত না নিয়ে পুরো ছবিটি দেখার পর মতামত দেওয়া উচিত। তাঁর দাবি, প্রচারণায় যে ধারণা তৈরি হয়েছে, সিনেমার মূল গল্প তার চেয়ে ভিন্ন।
যশ বিশেষভাবে ছবির পরিচালক গীতু মোহনদাসের কথা উল্লেখ করে বলেন, একজন নারী পরিচালকই ‘টক্সিক’ নির্মাণ করেছেন। তাঁর মতে, সিনেমাটিতে নারীদের নিজেদের অবস্থান তৈরি করা, প্রতিকূলতার মুখোমুখি হওয়া এবং নিজেদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।
ছবির প্রচারণার বিভিন্ন দৃশ্যে নারী চরিত্রের উপস্থাপন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা দেখা গেছে। বিশেষ করে যশের সঙ্গে কিয়ারা আদভানির ঘনিষ্ঠ দৃশ্য এবং ‘তাবাহি’ গানে তাঁদের উপস্থাপন নিয়ে দর্শকদের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন। ট্রেলার প্রকাশের পরও নারী চরিত্রগুলোর ভূমিকা ও ব্যাপ্তি নিয়ে আলোচনা আরও বাড়ে।
তবে যশের বক্তব্য, ট্রেলার দেখে ‘টক্সিক’কে বিচার করলে পুরো ছবির বিষয়বস্তু বোঝা যাবে না। তাঁর মতে, সিনেমাটি নারীদের কণ্ঠস্বরও তুলে ধরবে।
ছবিতে যশের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন কিয়ারা আদভানি, নয়নতারা, হুমা কুরেশি, তারা সুতারিয়া ও রুক্মিণী বসন্ত। ‘কেজিএফ’ সিরিজের পর যশের নতুন সিনেমা হওয়ায় এটি নিয়ে তাঁর ভক্তদের আগ্রহও বেশ বড়।
সিনেমাটি ২৬ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা রয়েছে। কন্নড়ের পাশাপাশি হিন্দি, তামিল, তেলেগু, মালয়ালম ও ইংরেজি ভাষায় মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
তবে ‘টক্সিক’ নারীবিদ্বেষী কি না—এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে পুরো সিনেমাটি দেখা এবং এর নারী চরিত্রগুলোর উপস্থাপন ও গল্পের প্রেক্ষাপট বিচার করাই বেশি যুক্তিযুক্ত।