সোমবার, আগস্ট ৩১, ২০২৬
১৬ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> মাগুরায় শিশুধর্ষণ–হত্যা: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল

>> জনপ্রশাসনে কারও হাতে একাধিক দায়িত্ব, আবার কারও নেই কোনো কাজ

>> যুক্তরাষ্ট্র–ইরান পাল্টাপাল্টি হামলা, হরমুজ প্রণালিতে দিনে মাত্র ৫ জাহাজ

>> ইরানের সঙ্গে লেনদেন, আরও একটি ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

>> মাদ্রাসার ৫ম ও ৮ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু ২ সেপ্টেম্বর

>> ইউএস ওপেনের প্রথম রাউন্ডেই বিদায় জোকোভিচের

>> ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া ২’ নিয়ে ফিরছেন অমিতাভ–মুশফিকা, নির্মাণ করবেন আরও দুই সিনেমা

>> মা-বাবার কষ্ট দেখেই বড় স্বপ্ন, এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া চার শিক্ষার্থীর লড়াই

>> পাকিস্তানের এখন জয়ের চেয়ে হার বেশি, অন্য দলগুলোর অবস্থান কী?

>> যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কিনবে বাংলাদেশ

আপনি পড়ছেন : খেলা

পাকিস্তানের এখন জয়ের চেয়ে হার বেশি, অন্য দলগুলোর অবস্থান কী?


Rabeya ৩১ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১১:৩১



পাকিস্তানের এখন জয়ের চেয়ে হার বেশি, অন্য দলগুলোর অবস্থান কী?


ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম দুই টেস্টেই হেরেছে পাকিস্তান। হেডিংলির পর লর্ডসেও পরাজয়ের ফলে টেস্ট ক্রিকেটে দীর্ঘ ৩৯ বছর পর নতুন এক পরিসংখ্যানের মুখোমুখি হয়েছে দলটি। এখন পাকিস্তানের মোট টেস্ট হারের সংখ্যা তাদের জয়ের চেয়ে বেশি।

লর্ডসে ১৯৪ রানের পরাজয়ের পর ৪৭৩টি টেস্ট খেলে পাকিস্তানের জয় দাঁড়িয়েছে ১৫৩টি, আর হার ১৫৪টি। বাকি ১৬৬টি ম্যাচ হয়েছে ড্র।

৩৯ বছর পর বদলে গেল হিসাব

১৯৫২ সালে টেস্ট ক্রিকেটে যাত্রা শুরু করে পাকিস্তান। সর্বশেষ ১৯৮৭ সালে তাদের জয়ের তুলনায় হার বেশি ছিল। ওই বছরের আগস্টে ওভালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি ড্র হওয়ার পর পাকিস্তানের জয় ছিল ৩৯টি, আর হার ৪০টি।

এরপর প্রায় চার দশক পাকিস্তানের জয়ের সংখ্যা হারের চেয়ে বেশি ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দলের ধারাবাহিক ব্যর্থতায় সেই ব্যবধান ধীরে ধীরে কমে আসে। শেষ পর্যন্ত আবারও ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই এমন পরিস্থিতিতে পড়ল পাকিস্তান।

একই অবস্থানে ভারতও

পাকিস্তানের মতো টেস্ট ক্রিকেটে জয়-হারের হিসাবে পিছিয়ে রয়েছে ভারতও। ৬০১টি টেস্ট খেলে ভারতের জয় ১৮৭টি এবং হার ১৮৮টি। অর্থাৎ তাদেরও হারের সংখ্যা জয়ের চেয়ে একটি বেশি।

জয়-হারের অনুপাতের হিসাবে পাকিস্তানের অবস্থান ০.৯৯৩, আর ভারতের ০.৯৯৪।

তিন দেশের জয় এখনো হারের চেয়ে বেশি

বর্তমানে টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে মাত্র তিনটি দলের জয়সংখ্যা হারের চেয়ে বেশি। তারা হলো অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

টেস্ট ক্রিকেটের সবচেয়ে সফল দল অস্ট্রেলিয়া ৮৮৪ ম্যাচ খেলে জয় পেয়েছে ৪২৭টিতে। বিপরীতে তাদের হার ২৩৬টি। ফলে জয়-হারের অনুপাত ১.৮০৫।

ইংল্যান্ড ১ হাজার ৯৯টি টেস্ট খেলেছে। তাদের জয় ৪০৭টি এবং হার ৩৩৬টি।

দক্ষিণ আফ্রিকার জয় ১৯১টি, আর হার ১৬২টি।

জয়ের শতাংশে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া

টেস্টে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা দল ইংল্যান্ড। তবে জয়ের শতাংশের বিচারে অস্ট্রেলিয়ার কাছাকাছি অন্য কোনো দল নেই।

অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট জয়ের হার ৪৮.৪১ শতাংশ। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে দক্ষিণ আফ্রিকা, তাদের জয়ের হার ৩৯.৮৭ শতাংশ। ইংল্যান্ডের জয়ের হার ৩৭.০৩ শতাংশ।

বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়?

টেস্ট খেলুড়ে ১২টি দেশের মধ্যে জয়ের শতাংশের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয় সর্বনিম্ন।

বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ১৬১টি টেস্ট খেলেছে। এর মধ্যে জয় এসেছে ২৮ ম্যাচে, আর হার ১১৪টিতে। ফলে জয়ের হার ১৭.৩৯ শতাংশ।

বাংলাদেশ অবশ্য প্রথম টেস্ট জয় পেতে ৩৫টি ম্যাচ খেলেছিল।

জয়ের শতাংশে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে জিম্বাবুয়ে। তারা ১৩০টি টেস্ট খেলে জয় পেয়েছে ১৬টিতে এবং হেরেছে ৮৪টিতে। তাদের জয়ের হার মাত্র ১২.৩০ শতাংশ।

জিম্বাবুয়ে ও বাংলাদেশ—এই দুই দলের জয়ের হারই এখনো ২০ শতাংশের নিচে।

নবীন দুই দলের অবস্থাও মন্দ নয়

টেস্ট ক্রিকেটের তুলনামূলক নবীন সদস্য আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের পরিসংখ্যান কিছুটা ভালো।

আফগানিস্তান ১৩টি টেস্টের মধ্যে চারটিতে জয় পেয়েছে। তাদের জয়ের হার ৩০.৭৬ শতাংশ।

একই সংখ্যক টেস্ট খেলা আয়ারল্যান্ডের জয় তিনটি। তাদের জয়ের হার ২৩.০৭ শতাংশ।

সব মিলিয়ে সাম্প্রতিক পরাজয়ের কারণে পাকিস্তান এখন এমন একটি পরিসংখ্যানের মুখোমুখি, যেটি প্রায় চার দশক ধরে তাদের ছিল না। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা এখনো টেস্টে জয়-হারের হিসাবে এগিয়ে থাকা দলগুলোর তালিকায় রয়েছে।