সেন্ট মার্টিন দ্বীপে নতুন করে রিসোর্ট ও কটেজ নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও দ্বীপের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত কয়েকটি নতুন স্থাপনার নির্মাণকাজ চলছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু এলাকায় কেয়াবন ও নারকেলগাছ কেটে নির্মাণকাজ করা হচ্ছে। কোথাও সৈকত থেকে বালু ও চুনাপাথর সংগ্রহ করে স্থাপনা তৈরির কাজেও ব্যবহার করা হচ্ছে।
সেন্ট মার্টিনকে ১৯৯৯ সালে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়। এরপর দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। নতুন স্থাপনা নির্মাণও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
তবে এসব নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও বিভিন্ন সময়ে হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে দ্বীপটির প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবি, অনেক স্থাপনা প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই নির্মাণ করা হচ্ছে। পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরিবেশবিদদের মতে, সেন্ট মার্টিন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের আবাসস্থল। তাই উন্নয়নের নামে গাছপালা কাটা ও অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ করে দ্বীপটির পরিবেশ রক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।