রবিবার, আগস্ট ৩০, ২০২৬
১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ইউটিউব দেখে ফলের বাগান, প্রথম বছরেই ২২ লাখ টাকার বিক্রি

>> যশের তারকাখ্যাতি আছে, কিন্তু গল্প কতটা জমল? ‘টক্সিক’ নিয়ে যে ৭ প্রশ্ন

>> মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের জেলাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে হাইকোর্টে রিট

>> গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে কমছে নির্মাণসামগ্রীর উৎপাদন, বাড়ছে সরবরাহের শঙ্কা

>> মির্জা ফখরুলের আসনে সালাহউদ্দিন, সংসদের উপনেতা হচ্ছেন কি?

>> ঘুরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই প্রবাসীসহ তিন বন্ধুর মৃত্যু

>> সেপ্টেম্বর থেকে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর উদ্যোগ, ১০ হাজার যাবে বিনা খরচে

>> আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীনবরণ–২০২৬ অনুষ্ঠিত

>> বিশ্বকাপ জিতেও দল থেকে বাদ, নাম না দেখে হেসেছিলেন সূর্যকুমার

>> পুরো দেশটাকেই যদি গোলাপি করা যেত

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

সেপ্টেম্বর থেকে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর উদ্যোগ, ১০ হাজার যাবে বিনা খরচে


Rabeya ৩০ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১২:৩৪



সেপ্টেম্বর থেকে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর উদ্যোগ, ১০ হাজার যাবে বিনা খরচে


বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় নতুন করে শ্রমিক পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী সেপ্টেম্বরের দিকে প্রায় দুই লাখ বাংলাদেশি কর্মী মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। এর মধ্যে ১০ হাজার কর্মীকে কোনো ধরনের খরচ ছাড়াই পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত ও তালিকাভুক্ত কোম্পানির মাধ্যমে কর্মীদের মালয়েশিয়ায় পাঠানো হবে। পুরো প্রক্রিয়াটি আগামী ছয় মাসের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিষয়টি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় দেখছে।

সম্প্রতি সচিবালয়ে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদের মধ্যে সৌজন্য সাক্ষাতে শ্রমবাজারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশি কর্মীদের মালয়েশিয়ায় পাঠানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।

এদিকে শ্রমবাজারের পাশাপাশি অবকাঠামো ও বিনিয়োগ খাতেও বাংলাদেশকে সহযোগিতার আগ্রহ দেখিয়েছে মালয়েশিয়া। বিশেষ করে রাস্তাঘাট নির্মাণ ও সংস্কারে রাবারাইজড বা পলিমার মডিফাইড বিটুমিন ব্যবহারে কারিগরি সহযোগিতার কথা জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশে বর্ষাকালে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট অংশের রাস্তা রাবারাইজড বিটুমিন দিয়ে নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে মালয়েশিয়ার অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া বাংলাদেশে ইলেকট্রিক ভেহিকল, সৌরবিদ্যুৎ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং হালাল খাদ্যসহ বিভিন্ন খাতে মালয়েশিয়ার বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে। এসব খাতে মোট প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তুতি চলছে বলে জানানো হয়।

অন্যদিকে ই-রিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন নীতিমালা তৈরির কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রস্তাবিত নীতিমালায় ই-রিকশা উৎপাদন, নিবন্ধন, ফিটনেস পরীক্ষা ও চলাচলের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম রাখা হচ্ছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, অনুমোদিত নকশা ও প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রত্যয়ন ছাড়া ই-রিকশার নিবন্ধন দেওয়া হবে না। পাশাপাশি মূল সড়কে ই-রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ই-রিকশা চার্জ দেওয়ার স্থানগুলোকেও নিয়মের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে এসব চার্জিং পয়েন্টে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের ব্যবস্থা করা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ রয়েছে।

ঢাকা শহরে ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে একাধিক জোন তৈরির প্রস্তাবও রয়েছে। প্রতিটি জোনের জন্য আলাদা রং ও নির্দিষ্ট চলাচলের এলাকা নির্ধারণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কোন রুটে কোন ই-রিকশা চলবে, তা সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগের সমন্বয়ে নির্ধারণ করা হতে পারে।

গ্রামীণ এলাকা ও জেলা শহরের গ্রামীণ সড়কে নির্দিষ্ট আসনসংখ্যার ই-রিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে রাজধানীতে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে আরও কঠোর নিয়ম অনুসরণের কথা বলা হয়েছে।