বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬
২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> বারিধারায় গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু, কিশোরের জামিন নামঞ্জুর

>> ধানমন্ডিতে বয়স্ক ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনায় যুবক আটক

>> টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট

>> বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষিকার মারামারি, ভাইরাল ভিডিও

>> বনানী বিদ্যানিকেতনে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা

>> নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় ব্যবস্থা নেবে সরকার

>> রাস্তা বন্ধ থাকায় ঘর ভেঙে মরদেহ নিয়ে গেলেন এলাকাবাসী

>> নিরাপত্তার কারণে কারাগারে রেখেই জিয়াউল আহসানের বিচার

>> নিউইয়র্কের জেএফকে বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে ঘিরে বিক্ষোভ, হেনস্তার অভিযোগ

>> এনসিটির ইজারা চুক্তি বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রাম বন্দরে গণঅনশন

আপনি পড়ছেন : আইন-আদালত

বারিধারায় গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু, কিশোরের জামিন নামঞ্জুর


Sifat Islam Sohag ১৪ অক্টোবর ২০২৬, বিকাল ৩:০৯



বারিধারায় গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু, কিশোরের জামিন নামঞ্জুর


নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বারিধারায় গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান মিমের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার ১৭ বছর বয়সী কিশোরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার শিশু আদালত-৮-এর বিচারক মো. আব্দুল মোক্তাদির এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন (মামুন) জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, কিশোর হিসেবে বিবেচনা এবং বাদীপক্ষের সঙ্গে আপসের কথা উল্লেখ করে আসামিপক্ষ জামিনের আবেদন করেছিল। শুনানির সময় মামলার বাদীও আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হলে আদালত আবেদনটি নামঞ্জুর করেন।

কিশোরের পক্ষে জামিনের আবেদন নিয়ে শুনানি করেন ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি খোরশেদ মিয়া আলম। এর আগে গত ৪ অক্টোবরও একই আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছিলেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোনের ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন ২৪ বছর বয়সী নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান মিম। এ সময় দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁকে চাপা দেয়। পরে তাঁকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন গাড়ির চালকের আসনে থাকা এক কিশোরকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই রাতেই তাকে তার চাচার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

মেহেদীর মৃত্যুর ঘটনায় ২৩ সেপ্টেম্বর তাঁর ভাই মোক্তাদীর ইসলাম গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলায় গাড়িচালক হিসেবে আকাশ মারককে আসামি করা হলেও চালকের আসনে থাকা কিশোরের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

এ নিয়ে সমালোচনার পর একই দিন গুলশান থানা পুলিশ ওই কিশোরকে হেফাজতে নেয়। পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর তাকে আদালতে হাজির করে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরেফীন ইসলাম।

পরে আদালত ওই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দেন।