বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকা নামে এক নারী বাদী হয়ে আবেদনটি করেন।
আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন। তবে মামলাটি গ্রহণ করা হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো আদেশ দেওয়া হয়নি। আদালত আবেদনটি আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী এ কে এম শরিফ উদ্দিন।
আবেদনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ড. আসিফ নজরুল ছাড়াও সাবেক উপদেষ্টা ড. রেজওয়ানা হাসান, সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং মোস্তফা সরোয়ার ফারুকীসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করার কথা বলা হয়েছে।
অন্য অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, মাহফুজ আলম, আক্তার হোসেন, মো. হাসনাত আব্দুল্লাহ, আব্দুল হান্নান মাসুদ, সার্জিস আলম, সামান্তা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম, ডা. তাসনিম জারা, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, আরিফুল ইসলাম আদিব, সালেহ উদ্দিন সিফাত, পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসেন, কনক সরোয়ার, নুরনবী (অব. কর্ণেল), তাহরিমা জান্নাত সুরভী, মো. মিলন, ফাহিম আল চৌধুরী ও আবুল কালাম আজাদ।
মামলার আবেদনে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের স্মৃতি জাদুঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আদালত এখনো মামলাটি গ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো আদেশ দেননি। ফলে অভিযোগগুলো বর্তমানে মামলার আবেদনে উত্থাপিত অভিযোগ হিসেবেই রয়েছে।