রোববার চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পুলিশের আবেদনের শুনানি শেষে একটি হত্যা মামলায় পাঁচ দিন এবং একটি অস্ত্র মামলায় আরও পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। একই অস্ত্র মামলায় ইমনের কয়েকজন সহযোগীকেও রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ফটিকছড়ি এলাকার একটি হত্যা মামলার তদন্ত এবং সম্প্রতি উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের উৎস ও ব্যবহার সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্য এই রিমান্ড প্রয়োজন বলে আদালতে আবেদন করা হয়েছিল।
এদিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী এলাকায় এক ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি ও হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা আরেকটি মামলাতেও ইমনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সকালে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে তাকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে যশোর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইমন ও তার কয়েকজন সহযোগীকে আটক করা হয়। এরপর তাকে বিভিন্ন মামলায় আদালতে হাজির করা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, ইমনের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, চাঁদাবাজিসহ একাধিক অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের ভাষ্য, তিনি চট্টগ্রামে একটি সশস্ত্র অপরাধী চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে নজরদারিতে ছিলেন। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
তবে আদালতে অভিযোগগুলোর বিচার এখনো শেষ হয়নি। ফলে মামলার চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, রিমান্ড চলাকালে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।