পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে ভুক্তভোগী তরুণী থানায় মামলা দায়ের করার পর অভিযুক্তকে আটক করা হয়। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত একটি কাজে সহযোগিতার কথা বলে অভিযুক্ত ওই তরুণীকে মোটরসাইকেলে করে শহরে নিয়ে যান। পরে কৌশলে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছে।
চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মামলা গ্রহণ করা হয় এবং ভুক্তভোগীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্তকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ বলছে, মামলার অভিযোগ ও অন্যান্য আলামত যাচাই করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় ছাত্রদলের একটি পক্ষ। উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব ইমন হাসান দাবি করেছেন, অভিযুক্তের পরিবারের সঙ্গে অভিযোগকারী পরিবারের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে এবং সেই বিরোধের জের ধরে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে বলে তাঁদের দাবি।
অন্যদিকে অভিযোগকারী পক্ষ তাদের অভিযোগে অনড় রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি তদন্তাধীন এবং তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের চেষ্টা করা হবে।