রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে নোয়াখালী জেলা কারাগারের ফটক থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে এক ব্যাগ ফুলের মালা জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—সদর উপজেলার পশ্চিম এওজবালিয়া গ্রামের ছেরাজল হক চৌধুরী (৬৩), মেহেদী হাসান হৃদয় (২০), মো. ফারুক হোসেন (১৮) ও মো. নাজিম (১৮)।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জানান, আটক ব্যক্তিরা আওয়ামী লীগ এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুন জুমার নামাজের পর সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধের হাট বাজারে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।
ওই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পরবর্তী সময়ে কয়েকটি স্থানে বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনাও ঘটে।
এসব ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের দুই শতাধিক নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। রোববার তাদের মধ্য থেকে চারজন জামিনে মুক্তি পান।
জামিনে মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিদের বরণ করতে কয়েকজন কর্মী ফুলের মালা নিয়ে নোয়াখালী জেলা কারাগারের ফটকে অবস্থান নেন। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করে পুলিশ।
ওসি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, স্বজনেরা চাইলে ফুলের মালা নিয়ে কারাগারে আসতে পারেন। তবে আটক ব্যক্তিরা এক ব্যাগ ফুলের মালা নিয়ে এসেছিলেন এবং তারা জামিনে মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিদের আত্মীয় নন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিরা বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে ছবি তুলে শোডাউন করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে জানিয়ে ওসি বলেন, মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।