বুধবার, আগস্ট ৫, ২০২৬
২১ শ্রাবণ ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ৪০০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় মাদারগঞ্জ জামায়াতের সাবেক আমির গ্রেপ্তার

>> ইরানের সঙ্গে সমঝোতা ব্যর্থ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

>> বিআরটিএতে গোপন অভিযোগ ফাঁসের অভিযোগ, এডি শেখ ইমরানের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

>> ঢাকা জজ কোর্টে আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিনের চেম্বারে অতর্কিত তাণ্ডব, চেম্বার বন্ধের হুমকির অভিযোগ

>> জামায়াতের সমঝোতার ধর্ষণ, বিএনপির চাঁদাবাজি, এনসিপির জুলাই এই মিলেই শেষ সাজানো দেশ -এম রহমান

>> ডিবি হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় ১১ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার সুপারিশ

>> পাইপলাইনে মিয়ানমারের গ্যাস: কতটা বাস্তব, কতটা সম্ভাবনা?

>> বরগুনায় লোডশেডিংয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

>> বিদেশে অবস্থান করে আওয়ামী লীগ তৎপরতার চেষ্টা করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

>> ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ মানুষ, বাড়ছে জনদুর্ভোগ

LIVE

বিএনপির নতুন সংযোজন খাম্বা আছে ,তার আছে কিন্তু কারেন্ট নাই -হানিফ খোকন
আপনি পড়ছেন : আইন-আদালত

ডিবি হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় ১১ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার সুপারিশ


Rabeya ৪ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ২:৪৯



ডিবি হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় ১১ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার সুপারিশ

ফরিদপুরে ডিবি হেফাজতে থাকা অবস্থায় ছাত্রলীগ কর্মী মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ (প্রান্ত) মারা যাওয়ার ঘটনায় তৎকালীন ডিবি ওসিসহ ১১ জন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

জেলা পুলিশের অভ্যন্তরীণ তদন্তে অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করে এই সুপারিশ করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদন ইতোমধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী।

যেভাবে আটক হন

গত ২০ জুন বিকেলে মধুখালী উপজেলার পশ্চিম গোন্ধারদিয়া এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে থেকে ইশতিয়াককে ডিবি সদস্যরা আটক করেন। পরে হেফাজতে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরদিন সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ইশতিয়াক ফরিদপুর আইন কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ফরিদপুর চিনিকলের মৌসুমি শ্রমিক হিসেবেও কাজ করতেন।

মাদক মামলার তথ্য নিয়ে প্রশ্ন

ঘটনার পরদিন ডিবির এক কর্মকর্তা বাদী হয়ে ইশতিয়াককে আসামি করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় দাবি করা হয়, তার কাছ থেকে ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযানের সময় ও মামলার বর্ণনায় উল্লেখ করা সময় ও পরিস্থিতির মধ্যে অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। ভিডিওতে দিনের বেলায় অভিযান পরিচালনার দৃশ্য এবং ইশতিয়াককে লুঙ্গি পরিহিত অবস্থায় তল্লাশি করার দৃশ্য দেখা যায়, যা মামলার বিবরণের সঙ্গে মিলছে না বলে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

পরিবারের অভিযোগ

ইশতিয়াকের পরিবারের অভিযোগ, তাকে মুক্তির বিনিময়ে অর্থ দাবি করা হয়েছিল। তার মা দাবি করেন, ছেলেকে ছাড়িয়ে আনতে তিনি এক লাখ টাকা নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু পরে জীবিত সন্তানের পরিবর্তে তার মরদেহ গ্রহণ করতে হয়।

তদন্তে যা উঠে এসেছে

পুলিশের অভ্যন্তরীণ তদন্তে অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অনিয়ম ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগের ভিত্তিতে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। তদন্তের পর প্রত্যেকের ভূমিকা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।

বিঃদ্রঃ পরিবারের অভিযোগ, ভিডিও ফুটেজের দাবি এবং মামলার বিবরণ—এসব বিষয় তদন্তসাপেক্ষ। চূড়ান্ত আইনি সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আদালতের প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।